fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

হোম আইসোলেশনে প্রাইভেট টিউশন, বিতর্কে শিলিগুড়ি পুরসভার করোনা পজিটিভ কর্মী

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি পুরসভার করোনা সংক্রমিত এক কর্মী দায়িত্বজ্ঞানহীনের পরিচয় দেওয়ায় বিভাগীয় তদন্তের মুখে পড়তে চলেছেন। অভিযোগ, করোনা আক্রান্ত সন্দেহে তিনি তাঁর লালারস পরীক্ষার পর হোম আইসোলেশন সঠিকভাবে মানেননি। উল্টে বাড়িতে বসে চুটিয়ে প্রাইভেট টিউশন করেছেন। তার এই অবিবেচক কাজের জন্য একাধিক ছাত্র-ছাত্রী তার সংস্পর্শে এসেছে। সম্প্রতি শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের এই ব্যক্তি করোনা সংক্রমিত ধরা পড়ার পর এলাকায় গোষ্ঠী সংক্রমনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এলাকার প্রাক্তন কাউন্সিলর রিতা ওঁরাও জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। সেইমতো প্রাইভেট টিউশনে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবক নিয়ে প্রায় ৩০ জনের মতো এলাকার বাসিন্দাদের হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়েছে। সময়মতো তাদের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।

এই ঘটনায় এলাকায় পুরসভার ওই কর্মী দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সকলেরই প্রশ্ন, পুরসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সম্মানজনক পদে কাজ করেও তিনি কীভাবে এই ভুলটা করলেন। নিজের সঙ্গে তিনি আরও বহু মানুষকে, নিরাপরাধ ছাত্র-ছাত্রীদের অজানা বিপদের মুখে ফেলে দিলেন। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানের গৃহশিক্ষকের এই কাজ মেনে নিতে পারছেন না। অনেকেই তাঁর শাস্তিও চাইছেন।

শিলিগুড়ি পুরসভার কমিশনার সোনম ওয়াং’দি ভুটিয়া এই ঘটনা অস্বীকার করেননি। মঙ্গলবার এক প্রশ্নোত্তরে তিনি বলেন, ‘ আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিভাগীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য শিলিগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্তমান প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান অশোক ভট্টাচার্যের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর নিয়ম মেনেই তাঁর সংস্পর্শে আসা পুরসভার বেশকিছু কর্মীকে চিহ্নিত করা হয়। তাদের মধ্যে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওই কর্মীও ছিলেন। অন্যদের মতো তারও লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয় পরীক্ষার জন্য। করোনা প্রোটোকল অনুযায়ী করোনা আক্রান্ত সন্দেহজনক কাউকে মনে হলে তার লালারসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তাকে হোম আইসোলেশন থাকতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close