fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পাল্টা প্রতিরোধের সময় এসেছে, হালিশহরে ২ বিজেপি কর্মী আক্রান্তের ঘটনায় হুঙ্কার অর্জুনের

অলোক কুমার ঘোষ, ব্যারাকপুর: “মার খেতে খেতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, প্রতিরোধের সময় এসেছে। এবার পাল্টা দিতে হবে” বললেন, ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । শনিবার বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং নদিয়ার কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে বীজপুর মণ্ডলের আক্রান্ত ২ বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান। সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং পাল্টা প্রতিরোধের কথা বলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধকে দাহ করতে এসে শ্মশানের মধ্যেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে পেটায় ২ বিজেপি কর্মী শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলিকে। রক্তাক্ত অবস্থায় গভীর রাতে তাদের কল্যাণীর জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শনিবার তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন সাংসদ অর্জুন সিং ।

ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বীজপুর থানার অন্তর্গত হালিশহর এলাকা । অভিযোগ হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে শাসকদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হতে হয় ২ বিজেপি কর্মীকে। শ্মশানের মধ্যেই ওই ২ বিজেপি কর্মীকে মারধর করে ২০/২২ জন দুষ্কৃতী । এই ঘটনায় মারাত্মক জখম হন শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায়, মুখে আঘাত করা হয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের জখম করে ওই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর জখম ২ বিজেপি কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয় নদিয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে। এই হামলার ঘটনায় জখম শান্তনুর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এদিকে এই ঘটনার পর সুকান্ত গাঙ্গুলি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা বীজপুর মন্ডল ২ এ বিজেপি দলের সক্রিয় কর্মী । আমরা বিজেপি করছি সেটাই আমাদের অপরাধ । আমার বন্ধুর বাবা প্রয়াত হওয়ায় আমরা শবদাহ করতে এই শ্মশানে এসেছি, এখানে আমাদের উপর ওরা আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি, রড নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের মারল। আমরা বিজেপি দল করি এটাই কি অপরাধ । পুলিশ সম্পূর্ণ তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছে। পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েও কোন ফল হবে না। তবু অভিযোগ করব ।”

এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদিয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তিনি বলেন, “তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যেভাবে হামলা করছে, পাল্টা প্রতিরোধের সময় এসেছে। আমাদের কর্মীরা মার খাচ্ছে, পুলিশ চুপ করে বসে আছে । দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, এবার পাল্টা দিতে হবে । পাল্টা প্রতিরোধের সময় এসেছে। আর চুপ করে বসে থাকব না আমরা । তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জন সমর্থন নেই । তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর।

আরও পড়ুন:পাকিস্তানে নারীদের সুরক্ষা ব্যবস্থা অকার্যকর: মানবাধিকার কর্মী মাসুদ খান

হামলা করছে । তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই । এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না ।” তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে । তৃণমূল বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাকে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল বলে দাবি করেছে । বীজপুর থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে । তবে এই ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেফতার হয় নি ।

Related Articles

Back to top button
Close