fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

কোয়ারেন্টাইনের নোটিশ দিয়ে বিজেপি সাংসদের গৃহবন্দী করতে চাইছে নবান্ন! বিস্ফোরক জগন্নাথ

রক্তিম দাশ, কলকাতা: রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করতে না পেরে তৃণমূল এখন নয়া পন্থা নিয়েছে। প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে করোনা-আমফানের মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজেপি সাংসদদের হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিশ পাঠিয়ে গৃহবন্দী করতে চাইছে নবান্ন। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

 

 

 

যুগশঙ্খকে শনিবার সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন,‘ করোনার ও আমফানের ত্রাণ দিতে গিয়ে বার বার আমাদের সভাপতি ও সাংসদ দীলিপ ঘোষ সহ বিজেপি সাংসদদের প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা করে রাস্তায় আটকে  দিয়েছে তৃণমূল। যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। এবার নয়া পন্থা নিয়েছে তাঁরা।  নবান্নর নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে সাংসদদের রাস্তায় বের হলেই হোম কোয়ারেন্টাইনের নোটিশ পাঠিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে।’

 

 

 

বিজেপির এই সাংসদ অভিযোগ করে বলেন, ‘নদীয়া আমাদের দলের কর্মীরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা কোয়ারেন্টাই সেন্টারগুলোতে খাবার দিচ্ছেন প্রতিদিন। তা নিয়ে তৃণমুল হুমকি দিচ্ছে। আমি খবর পেয়ে গেলাম সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে। তারপরই ২৬ মে রাত তিনটের সময় আমার বাড়িতে পুলিশ ও সরকারি চিকিৎসক এসে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ নোটিশ ধরাতে চাইলেন। আমি সেই নোটিশ নিইনি। পরের দিন সকালে এসডিপিও আমায় ওই নোটিশ নিতে চাপ দেন। আমি নাকি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে গিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখিনি তাই এই নোটিশ।’

 

 

 

জগন্নাথ বাবু  বলেন,‘ আমি একা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যাইনি। নবদ্বীপ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা ২০০ লোক নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁদের কেন নোটিশ দেওয়া হল না? আমায় এখন রাজনৈতিক কারণে আটকানো হচ্ছে। রাস্তায় বের হলে গাড়ি আটকে দিচ্ছে পুলিশ। কিন্তু আমায় আটকানো যাবে না। আমি প্রতিদিনই বের হচ্ছি।’

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রোশ থেকে এসব হচ্ছে। আমি রেশনের চাল চুরি, কাঠ চুরি ধরেছি। আমার সঙ্গে তৃণমূল সেটআপের রাজনীতি করতে পারছে না। আমি বলেছি হোম কোয়ারেন্টাইনে মানব না পারলে  আদালতে যাক প্রশাসন। কিন্তু এভাবে একজন জনপ্রতিনিধিকে রাস্তায় আটকানো যাবে না। ’
জগন্নাথবাবুর দাবি,‘ আমায় যে নোটিশ দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে আমি চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছি, নোটিশে মাননীয় সাংসদ কেন লেখা হয়নি? কেন তৃণমুলের নেতারা যাঁরা আমার  মতো গিয়েছিলেন সামাজিক দূরত্ব মানেন নি। তাঁদের নোটিশ দেওয়া হল না কেন? এই চিঠির উত্তর না পেলে নদিয়া মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দফতর ঘেরাও করে তাঁকে অফিস কোয়ারেন্টাইন করব। এসব নবান্নের নির্দেশে হচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীকে দিল্লি থেকে ফেরার পর ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রেখে দিল। আমাদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আর মাননীয়া বলছেন আমরা করোনা সময় মানুষের পাশে নেই?’

Related Articles

Back to top button
Close