fbpx
কলকাতাবিনোদনহেডলাইন

জলসা মুভিস-এর নতুন চমক…‘ জলসা মুভিস অরিজিনাল’, জানতে গেলে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে হবে ১৫ নভেম্বর

বিপাশা চক্রবর্ত্তী, কলকাতা: ফের জলসা মুভিস দর্শকদের সামনের হাজির হল এক নতুন চমক নিয়ে। যার নাম ‘ জলসা মুভিস অরিজিনাল’। আর এই নতুন চমক জানার জন্য অবশ্যই চোখ রাখতে হবে টেলিভিশনের পর্দায় ১৫ নভেম্বর রাত ৮টায়। মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে বাংলা সিনেমা জগতের কলা-কুশলীদের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের সামনে সমস্ত বিষয়টি তুলে ধরা হয় জলসা মুভিস-এর পক্ষ থেকে।

এই সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়, নাটকের পুরনো নস্টালজিয়াকে সযত্নে আগলে রেখে তার মাঝখানে নতুন আঙ্গিকে আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসতে চলছে ‘জলসা মুভিস অরিজিনাল’। যার নামের মধ্যেই রয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া।

কোভিড মহামারীর কারণে আমরা ঘরবন্দি। সিনেমা, ‘থিয়েটার হল’ সব জায়গায় আমাদের আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আর হাজারো বিধিনিষেধের মাঝে যেন সিনেমা, নাটক সব উপভোগ করার আনন্দটাই মাটি হয়ে গেছে। কিন্তু জলসা মুভিস অরিজিনাল সেই পুরনো আনন্দ আপনাকে আবার ফিরিয়ে দেবে। ঘরে বসেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন থিয়েটার হলের ক্ল্যাইম্যাক্স।

জলসা মুভিস-এর মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘দর্শকদের কাছে সেরাটা পৌঁছে দেওয়াই সব সময় আমাদের লক্ষ্য থাকে। প্রথম আমরা এমন একটা উদ্যোগ নিয়েছি, যেখানে দর্শকরা বাংলা সিনেমা ও নাটকের সংমিশ্রণ দেখতে পাবে। ‘অ্যান্টনি কবিয়াল’ মাধ্যমে শুরু হবে। প্রথম ১৫ নভেম্বর দেখা যাবে ‘অ্যান্টনি কবিয়াল’।

 

পর্তুগিজ ফিরিঙ্গি অ্যান্টনি থেকে তাঁর অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি ওঠার কাহিনি। অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি্র সঙ্গে সৌদামিনীর সঙ্গে প্রণয় সূত্রে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। যে কাহিনিতে দেখা যাবে টলিউড অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়, অভিনেত্রী শাঁওলী চট্টোপাধ্যায়, ও  বাংলা সিনেমা জগতের এক অন্য ধারার অভিনেতা খরাজ চট্টোপাধ্যায়কে। এছাড়া অন্যান্য কাহিনিগুলির মধ্যে থাকছে ‘ব্যাপিকা বিদায়’, ‘জয় মা কালী বোর্ডিং’, ‘শ্রীমতি ভয়ঙ্করী’।

কাহিনির সমস্ত কলাকুশলীদের বক্তব্য এই সমস্ত কিছুর নেপথ্যে যার অবদান সব থেকে বেশি তিনি হলেন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানান, ‘নাটক ও বাংলা সিনেমার সংমিশ্রণে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে জলসা মুভিস। প্রথম ১৫ নভেম্বর দেখানো হবে, ‘অ্যান্টনি কবিয়াল’। যার কাহিনি আমাদের সকলের জানা। তবে পুরোপুরি স্বতন্ত্র ভাবে উপস্থাপন করা হবে এই কাহিনি। কাহিনির মধ্যে গান একটা অন্যমাত্রা পেয়েছে। তবে গানের সেই পুরনো নস্টালজিয়াকে এখানে ধরে রাখা হয়েছে। যাতে দর্শকরা পুরনোর সঙ্গে আধুনিকতার ছোঁয়া উপভোগ করতে পারেন। পুরো টিম খুব নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন’।

পাশাপাশি অভিনেতা, গায়ক সাহেব চ্যাটার্জি বলেন, ‘আমরা থিয়েটারের ফরম্যাটকে মাথার রাখার চেষ্টা করেছি। বাংলা সিনেমা ও নাটকের সংমিশ্রণে এক নতুন কিছু সকলের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি। ঘরে বসে যাতে প্রতিটি দর্শক থিয়েটারের ফ্লোর, সেট, লাইট, সাউন্ড উপভোগ করতে পারেন সেটাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। আর এই কাজে সব সময় সঙ্গে একজন অভিভাবক হিসেবে পেয়েছি বুম্বাদাকে(প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়) ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়কে। আমাকে নির্বাচন করার জন্য কমলেশ্বর ও বুম্বা দাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বিধায়ক ভট্টাচার্যের লেখা ও পদ্মনাভ দাশগুপ্ত’র লেখা স্ক্রিপ্ট এই কাহিনিতে একটি স্বতন্ত্র মাত্রা যোগ করেছে।

কাহিনিতে গানও একটা অন্য মাত্রা পেয়েছে। আমি নিজেও গান করেছি। তবে এখানে ‘দোঁহার’-অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। খরাজদা, বিশ্বনাথ, শাঁওলী সকল কলাকুশলীরা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন’।

পাশাপাশি অভিনেত্রী শাঁওলী চট্টোপাধ্যায় বলেন, কমলেশ্বর দার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার কাছে একটি বড় পাওনা। বাংলা সিনেমার ফরম্যাটে নাটক এই অভিজ্ঞতাই আমার কাছে একটি অন্যমাত্রা পেয়েছে’।

জলসা মুভিস আমাদের কাছে একটা পরিবার।বরাবর তাদের কাজ দর্শকদের কাছে একটি অন্যমাত্রা পেয়েছে বলে এদিন জানান অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু। বিশ্বনাথ বলেন, ‘কোভিড পরস্থিতিতে এই ধরনের উদ্যোগ আমাদের কাছে একটি চ্যালেঞ্জ। আমরা সকলে সেইভাবে কাজ করেছি। যে থিয়েটারগুলোর নাম শুনে বড় হয়েছি সেই কাহিনিতে অভিনয় করতে পারব এটা আমার কাছে একটি বড় পাওনা। এর জন্য যারা আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন তাদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ’।

 

 

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close