fbpx
কলকাতাহেডলাইন

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ রাশিয়ায় নেতাজী আছেন তা জানতেন, বিস্ফোরক দাবি জয়দীপের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘স্ট্যালিন সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণকে অবগত করেছিলেন যে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু সােভিয়েত রাশিয়ায় তার কাস্টডিয়ামে রয়েছেন।’ চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন অল ইন্ডিয়া লিগাল এড ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তথা সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।

 

শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্ম দিন উপলক্ষে আপামর ভারতীয়র উদ্দেশ্যে এই তথ্য তুলে ধরেন। যা প্রায় সকলের কাছেই অজানা। জয়দীপ আরও বলেন, ‘সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণকে স্ট্যালিন অনুরােধ করেছিলেন নেতাজীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে। এই কথা পরবর্তীকালে সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে এসে প্রকাশ্যে বলেছিলেন ।১৯৫০ এর দশকের শেষ দিকে যখন জওহরলাল নেহরু সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণকে উপরাষ্ট্রপতি পদে নিযুক্ত করলেন , তারপর থেকে সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ এই বিষয়ে আর কোনােদিন মুখ খুলেননি।এমনকি যখন সত্যনারায়ণ সিনহা সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণকে বারবার করে অনুরােধ করেছিলেন সােভিয়েতে নেতাজীর আশ্রয় সংক্রান্ত তথ্য জনসমক্ষে আনার জন্য বা আলােচনার জন্য।কিন্তু তারপর থেকে সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ এই ব্যাপারে আর কোনােদিন মুখ খােলেননি।

 

আসলে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর ১৯৪৯ সালে তৎকালীন সােভিয়েত ইউনিয়নে পন্ডিত জওহরলাল নেহরু তার বােন বিজয়লক্ষী পন্ডিতকে পাঠিয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত করে।কিন্তু বিজয়লক্ষী পন্ডিতকে তৎকালীন সােভিয়েত প্রধান স্ট্যালিন কোনােপ্রকার এপয়েন্টমেন্ট দেয়নি।তিনি ভারতবর্ষে ফিরে এসে বলেছিলেন যে আমি এমন একটা খবর দিতে পারি যাতে সারা ভারতবর্ষ কেঁপে যাবে।কিন্তু তার পরে অদৃশ্য কারণে পন্ডিত জওহরলাল নেহরু তার বােন বিজয়লক্ষী পন্ডিতকে সােভিয়েত রাষ্ট্রদূত থেকে অপসারিত করে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করেন । ১৯৫০ এর দশকে সােভিয়েতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানাে হয় ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণকে।

তিনি তৎকালীন সােভিয়েত প্রধান স্ট্যালিনের সাথে দেখা করে ছিলেন। সুতরাং সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি , ইতিহাসে তার এই কাজ ভারতবাসী তথা বাঙালি ভালাে চোখে নেয়নি । কারন তিনি অনেককিছু জেনেও চুপ করে থেকেছিলেন তৎকালীন স্বাধীন ভারতবর্ষে নিজের পদোন্নতির জন্য।তাই জন্মদিনে তাকে যেমন শ্রদ্ধা জানাচ্ছি পাশাপাশি এই কালাে অধ্যায়টাকে জনগনের সামনে তুলে ধরা দরকার বলে আমি মনে করি।’

Related Articles

Back to top button
Close