fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ঝাড়গ্রাম, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিনিধি (ঝাড়গ্রাম): তৃণমূল কর্মীদের মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনায় উত্তপ্ত ঝাড়গ্রাম।এই ঘটনায় এক তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী সহ মোট চারজন আহত হয়েছেন।তৃণমূলে অভিযোগ বিজেপির লোকেরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা দাবি তৃণমূলের লোকজনেরা বিজেপির কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালিয়েছে, বিজেপির একজন কর্মী আহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় পুলিশ বিজেপির জেলার সাধারণ  সম্পাদক সহ মোট দুজনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর থানার হাড়দা এলাকায়।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় ২১ জুলাই। ওই দিন বিজেপির ১২ জন বুথ সভাপতি ও দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমুলে যোগদান করেন। আর তারপর থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা তৃণমুল কর্মী বাপি মন্ডল, বিশ্বজিত মন্ডল ও লক্ষ্মীন্দর দিগনায়েকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। ওই সময় বাপি মন্ডল ও বিশ্বজিৎ মন্ডল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু লক্ষ্মীন্দর দিগনায়েক ও স্ত্রী পূর্ণিমা দিগনায়েক বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এলে তাদেরকে মারধর করলে গুরুতরভাবে দুজনে  আহত হন।

আরও পড়ুন:বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ফুলহার নদীর জল, শুরু ভাঙন

পরে অন্যান্য তৃণমুলের কর্মীসমর্থকেরা তাদেরকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করান।

হাড়দা অঞ্চল সভাপতি বলেন, ” বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসার পর থেকেই বিজেপির লোকজনেরা আমাদের কর্মীসমর্থকেরা দেখলেই কটুক্তি, গালিগালাজ করছিলেন। তারপর বৃহস্পতিবার রাতে আমাদের কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালায়। তাতে আমাদের এক মহিলা সহ মোট চারজন হয়েছে। এখন বিজেপির পায়ের তলায় মাটি সরে যাচ্ছে দেখে এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় শতপথী বলেন, “তৃণমূলের লোকজনেরা মিথ্যা কেস দিয়ে আমাদের বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক রাজেশ মন্ডল ও বিজেপি নেতা শ্যামল দাসকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। আমাদের একজন কর্মী আহত হয়েছেন। “

Related Articles

Back to top button
Close