fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটের উত্তপ্ত ঝাড়গ্রাম

নিজস্ব প্রতিনিধি ,ঝাড়গ্রাম:  কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাম সাংগঠন গুলি। এদিন বৃহস্পতিবার ধর্মঘট সফল করতে সকাল থেকে রাস্তায় নেমে পথ অবরোধ, ট্রেন আটক করে দফায় দফায় মিছিল করল বাম সংগঠন গুলি। এদিন সকাল থেকেই হাতে লাল ঝান্ডা নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বাস এবং ট্রেন আটক করেন ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। এদিন টাটা হাওড়া স্টিল এক্সপ্রেস কে দীর্ঘ সময় ধরে আটক করে রাখেন। পরে বেশ কিছু সময় আটক থাকার পর ছাড়া হয় স্টিল এক্সপ্রেসকে।

এদিকে বাস, গাড়ি ও ট্রেন আটক করার ফলে ব্যাপক সমস্যা পড়েন সাধারণ মানুষজনেরা। উল্লেখ্য এদিন ট্রেড ইউনিয়ন এবং কৃষক সংগঠন গুলি দেশ জুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল। এদিকে অবরোধকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক জায়গায় উত্তেজনা তৈরী হয়। এমনকি অবরোধকারীদেরকে উপর লাঠি চার্জ করে বলে অভিযোগ করেন অবরোধকারীরা। সিটুর পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে এদিন ঝাড়্গ্রাম জেলার লালগড়, বেলপাহাড়ী, গোপীবল্লভপুর, সাঁকরাইল ও জেলা শহর ঝাড়্গ্রাম সহ জেলার মোট দশ জায়গাতে অবরোধ করেন বাম সংগঠন গুলি।

এদিন ঝাড়্গ্রাম ব্লকের বৈতা মোড়ে রাস্তার উপর ঝান্ডা রেখে অবরোধ করছিলেন ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। সেই পুলিশ এসে ঝান্ডা তুলে অবরোধ তোলার চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে বচসা বাঁধে। পরে পুলিশ অবরোধকারীদের উপর লাঠি চার্জ করে অভিযোগ করেন। অন্যদিকে ঝাড়্গ্রাম শহরের মুখ্য ডাক ঘর বন্ধ করার জন্য হাতে লাল ঝান্ডা নিয়ে ভেতরে ঢুকে যায় ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। এরপর জোরপূর্বক ডাক ঘরের শাটার বন্ধ করার সময় ডাক ঘরের এক মহিলা কর্মী নীলিমা ঘোষের মাথায় শাটার পড়ে যায়। তাতে অল্প বিস্তর আহত হন তিনি। তবে এই ঘটনার পরেই ধর্মঘট সমর্থনকারীরাই তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। এবিষয়ে ঝাড়্গ্রাম মুখ্য ডাক ঘরের পোস্ট মাস্টার রবীন সাহা বলেন “এই ঘটনা অন অভিঞ্জত।”

তবে সব মিলিয়ে এদিন বাম সংগঠন গুলির ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে বেশ প্রভাব পড়েছে ঝাড়্গ্রাম জেলায়। এবিষয়ে সিটুর ঝাড়গ্রাম জেলা সম্পাদক পার্থ যাদব বলেন ” জেলায় বনধ সর্বাত্মক হয়েছে। বেসরকারি বাস চলে নি।কিছু যাত্রী শূন্য বাস চলেছে।জেলার দশ জায়গায় পথ অবরোধ হয়েছে।স্টিল এক্সপ্রেসকে আটকানো হয়েছিল।বৈতা মোড়ে পুলিশ আামাদের কর্মীদের লাঠি পেটা করে।এক মহিলা আহত হয়েছে।আর পোস্ট অফিসে সাটার হঠাৎ মাথায় পড়ে যাওয়ার জন্য এক মহিলা আহত হয়েছিলেন। তাকে আমাদের দলীয় কর্মীরাই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করায়।”

ঝাড়গ্রাম জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তাপস মাহাতো বলেন ” মানুষ বনধ স্বস্তঃস্ফূর্ত ভাবে মেনে নিয়ে ছিলেন। বনধ সর্বাত্মক হয়েছে। ” অন্যদিকে পুলিশ লাঠি চার্জের কথা অস্বীকার করেছেন।

Related Articles

Back to top button
Close