fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন প্রয়োগে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিবডি, দাবি সংস্থার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করতে পাল্লা দিয়ে ছুটছে বিশ্বের বড় বড় সংস্থা। ব্যতিক্রম নয় জনসন অ্যান্ড জনসন। তাঁদের তৈরি এক ডোজের কোভিড ভ্যাকসিনের প্রথম ট্রায়ালে ইতিবাচক ফল মিলেছে বলে খবর। শুক্রবার প্রকাশিত ট্রায়ালের একটি রেজাল্টে জানানো হয়, এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ছে। তবে বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিচ্ছে।

জুলাই মাসে এই ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে জনসন অ্যান্ড জনসন। প্রথা মেনে প্রথমে বাঁদরদের শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়। সেই পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল মিলতে আমেরিকার হাজার–হাজার তরুণ–তরুণীর উপর এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়। তাতেও ভালই ফল মিলেছে বলে দাবি সংস্থার। সেই ফলের উপর নির্ভর করে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। এই পর্যায়ে ৬০ হাজার তরুণ–তরুণীর উপর ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। যার ফল চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের প্রথমেই পাওয়া যাবে বলে সংস্থা সূত্রে খবর।

প্রকাশিত রেজাল্ট অনুযায়ী, জনসন অ্যান্ড জনসন এডি২৬.‌কভ২.‌এস ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চালাচ্ছে। ভ্যাকসিনটির দুটি ডোজ ও একটি ডোজের মধ্যে কী পার্থক্য রয়েছে, তা দেখতে আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষা করে দেখছে মোডের্না ও ফাইজার নামের দু’টি সংস্থা। তবে সব বয়সের মানুষের দেহে এই ভ্যাকসিন সমানভাবে কার্যকর হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জনসন অ্যান্ড জনসন সূত্রে খবর, ৯৮ শতাংশ ভলান্টিয়ারের শরীরে করোনার বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সক্ষম, এমন অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন দেওয়ার ২৯ দিন পরে এই অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। অবশ্য ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষদের মধ্যে মাত্র ১৫ জনের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আবার অল্পবয়সীদের শরীরে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। যা চিন্তায় রাখছে গবেষকদের। দেখা গিয়েছে ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের ৩৬ শতাংশ ভলান্টিয়ারদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন মাথা ধরা ও পেশিতে ব্যথা দেখা দিচ্ছে। অথচ অল্পবয়সী ভলান্টিয়ারদের মধ্যে সেটা ৬৪ শতাংশের শরীরে দেখা যাচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close