fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভাগীরথীতে ঝাঁপ, স্রোতের টানে আড়াই কিমি ভেসে আসার পর প্রান বাঁচল বধুর

দিব্যেন্দু রায়,কাটোয়া: রাখে হরি তো মারে কে! বাংলার এই প্রবাদের বাস্তব চিত্র দেখা দেখা গেল কাটোয়ায়। শনিবার দুপুরে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে উত্তাল ভাগীরথীতে ঝাঁপ দিয়েছিল বছর পঞ্চাসের এক গৃহবধু। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় আড়াই কিমি ভেসে আসার পর শেষ পর্যন্ত প্রান রক্ষা হল তাঁর। সন্ধ্যা রায় নামে ওই বধূকে উদ্ধার করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। বর্তমানে তিনি  সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে ।

জানা গেছে, মানসিকভাবে অসুস্থ ওই মহিলার বাড়ি বীরভূম জেলার নানুর থানার আলিগ্রামে। মহিলা জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতে রয়েছেন স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে। এদিন দুপুরে তিনি আলিগ্রাম থেকে কেতুগ্রাম থানার উদ্ধারণপুর ঘাটে আসেন। তারপর তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ভাগীরথীর জলে ঝাঁপ দেন।

আরও পড়ুন: ক্ষেমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলে যোগদান ৫০০ কর্মীর

জানা গেছে, মহিলা ভাগীরথীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর দীর্ঘ  প্রায় আড়াই কিলোমিটার নদীর স্রোতে ভাসতে ভাসতে কাটোয়ার শাঁখাই ফেরিঘাটের কাছে চলে আসেন ।  সেই সময় শাখাই ফেরিঘাটে ডিউটি করছিলেন জলসাথী কর্মী প্রশান্ত মণ্ডল । তিনিই প্রথম মহিলাকে মাঝনদীতে হাবুডুবু খেতে দেখেন । সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফেরিঘাটের কর্মী সাগর দাস ও প্রশান্ত রাজবংশীকে বিষয়টি বলেন ।  সেই সময়  নিরঞ্জন বর্মণ ও তাতাই রায় নামে দুই মাঝি  শাখাই ফেরিঘাটে  একটি মোটরচালিত নৌকা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। বাকি তিনজন এসে ঘটনার কথা বলতেই তাঁরা ওই নৌকা নিয়ে মাঝগঙ্গায় পৌছে যান। তারপর তাঁরা মহিলাকে নৌকায় টেনে তোলেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মহিলাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কি কারনে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন তানিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ওই মহিলা ।  পুলিশ জানিয়েছে, মহিলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে

 

Related Articles

Back to top button
Close