fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূল এখন দিদির নয়: কৈলাস

মিলন পণ্ডা, রামনগর: লক্ষ্য একুশ। আর এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমে পড়ল বিজেপি। শনিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগরে বিজেপি একটি জনসভা করে। সভায় রাজ্যের নাগরিকত্ব আইন লাগু হওয়ার হুঙ্কার দিয়ে গেলে বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। পাশাপাশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়া আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করে বাংলায় বিজেপি শাসন এনে সোনার বাংলা গড়ার ডাক দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

এদিন সভামঞ্চ থেকে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘আমাদের দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাগরিকত্ব আইন বানিয়েছেন। এর ফলে যে সমস্ত হিন্দু পাকিস্তান থেকে বিতাড়িত হয়েছেন, যারা বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন, আফগানিস্থান থেকে যারা বিতাড়িত হয়েছেন তাঁদেরকে আমাদের দেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে। আমরা নাগরিকত্ব আইন লাগু করবই এবং সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।’ তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, ‘আপনার পুরো তৃণমূল পার্টি মমতার নয়। আজ তৃণমূলে মুকুলদা নেই। কোনও সৎ ব্যক্তি এখন তৃণমূলে নেই। তৃণমূল এখন ভাইপোর কাছে চলে গিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই বাংলার মাটিতে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীদের আগমন ঘটছে। বাংলার মাটি আজ সুরক্ষিত নেই। মা আর সুরক্ষিত নেই, মাটিও সুরক্ষিত নেই। পশ্চিমবাংলায় আপনারা কংগ্রেসের সরকার দেখেছেন। আপনারা সিপিএমের সরকারও দেখেছেন। সিপিএমের সরকারের সময়েও হত্যা হয়েছে, লুটপাট হয়েছে। এরপর আপনারা সোনার বাংলা গড়ার আশায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আসনে বসিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একবার নয় দু’বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করেছেন। যেখানে মায়ের সুরক্ষা নেই, বোনের সুরক্ষা নেই, সেখানে সেই রাজ্যের একজন মহিলার মুখ্যমন্ত্রী থাকার কোনও অধিকার নেই।’ তিনি আমফান দুর্নীতির কথাও উল্লেখ করেন।

এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিজেপির সম্পাদক সব্যসাচী দত্ত-সহ জেলা নেতৃত্ব।

Related Articles

Back to top button
Close