fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সাইকেল নিয়ে অভিনব সচেতনতার প্রচার এসডিপিওর

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: লকডাউনকে সফল করতে পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহর ও গ্রামীণ এলাকায় পুলিশ লাগাতার মাইকিং করে প্রচার করছেন। তা সত্বেও লকডাউন ভাঙার প্রবণতা যেন লেগেই রয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় বসে আড্ডা, অহেতুক ঘোরাঘুরি সহ বাজার, হাট ও রাস্তায় ভিড় করছেন কিছু কিছু মানুষজন।অত্যাবশ্যকীয় দোকান ছাড়াও অন্যান্য অনেক দোকানদার নিয়ম মানছেন না বলে অভিযোগও উঠছে।তাই মানুষকে করোনা নিয়ে সচেতন করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এইবার সাইকেল নিয়েই শহর থেকে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে সাদা পোশাকে ঘুরছেন কালনার এসডিপিও শান্তনু চৌধুরী।

তিনি নিজেই বাড়ি-বাড়ি ঘুরে মানুষকে করোনা নিয়ে সচেতন করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখছেন।আর তার ফলও মিলছে হাতেনাতে। কালনার হাটে,বাজারে,রাস্তার মোড়ে-মোড়ে আড্ডা দেওয়া আটকানো যাচ্ছে না। কোথাও জটলা করে আড্ডা দিলে পুলিস খবর পেয়ে ছুটে যাচ্ছে। তার আগেই পুলিশের গাড়ি দেখে তারা সাময়িকভাবে সরে গেলেও পরের ছবিটা সেই একই থেকে যাচ্ছে। লকডাউন না মানায় পুলিস অনেককে গ্রেপ্তারও করছে। তাই এইবার জোরদার প্রচার চালাতে শহর ও গ্রামের আনাচে-কানাচে নজরদারি বাড়াতে সাইকেলকেই বেছে নিয়েছেন এসডিপিও শান্তনু চৌধুরী। যদিও কালনা শহরের কোনও বিষয়ে ভিজিট করতে হলে বা কালনা থানায় আসা যাওয়ার জন্য সাইকেল ব্যবহার করেন তিনি।

এর আগেও বিভিন্ন প্রয়োজনে কালনা শহর ও শহর লাগোয়া বিভিন্ন এলাকায় তাকে ডিউটি পালন করতেও দেখা গিয়েছে।কালনা থানার অন্তর্গত বিভিন্ন গ্রামে তিনি সাইকেল নিয়ে ঘুরছেন সাদা পোশাকে। পাড়ার মধ্যে কেউ ঘোরাঘুরি করলে তাদের সচেতন করছেন। এসডিপিওর এই অভিনব প্রচারে ফলও মিলছে হাতে নাতে। অনেকেই ঘরমুখী হচ্ছেন বলে দাবি স্থানীয়দের অনেকেরই।

এই বিষয়ে এসডিপিও শান্তনু চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশকর্মীরা মানুষকে সচেতন করতে ধারাবাহিকভাবে প্রচার চালাচ্ছে। আমরা চাই সকলে ঘরে থাকুন।অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার জন্যও সাধারণ মানুষকে বলা হচ্ছে। কালনায় থাকাকালীন সময়ে সাইকেল নিয়ে চলা ফেরা করি।এটাই যেন বেশি স্বাচ্ছন্দ্য মনে করি।তাই সাইকেল নিয়েই হাট, বাজার, রাস্তায় থাকা মানুষদের মধ্যে সচেতনতার প্রচার করছি।’

Related Articles

Back to top button
Close