fbpx
দেশবিনোদনহেডলাইন

কঙ্গনার মুম্বইয়ের অফিস ভাঙচুর, বিএমসির কাছে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি অভিনেত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  মুম্বইয়ে কঙ্গনা রানাওয়াতের অফিসে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কর্মীরা ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছিল আগেই। এই ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণও চেয়েছিলেন অভিনেত্রী। এবার জানা গিয়েছে, বিএমসি কর্তৃপক্ষের কাছে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন কঙ্গনা।  মুম্বই প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ তুলে দু’কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ কঙ্গনা। তাঁর অভিযোগ, পালি হিলসের বাংলোর ৪০ শতাংশ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঝাড়বাতি, বহুমূল্য আসবাব-সহ প্রচুর শিল্পকর্মও নষ্ট করা হয়েছে বলে বম্বে হাই কোর্টে জমা দেওয়া আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন কঙ্গনা।

গত বৃহস্পতিবার কঙ্গনার আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিকি উচ্চ আদালতে জানান, অফিস ভাঙা রুখতে তড়িঘড়ি আবেদন করেছিলেন কঙ্গনা। সেই আরজি এবার সংশোধন করতে চান তিনি। ২৯ পাতার আগের সেই পিটিশনের বদলে এবার মোট ৯২ পাতার নতুন পিটিশন বম্বে হাইকোর্টে মঙ্গলবার জমা দিয়েছেন রিজওয়ান। তাতে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০.৩৫ মিনিটে ওই বাংলো ভাঙার নোটিস ঝোলানো হয়েছিল। তার আগেই পুলিশ ও পুরকর্মীরা বুলডোজার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। অর্থাৎ আগেভাগেই সব পরিকল্পনা করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ কঙ্গনার। কারণ, ১০টা ১৯ মিনিটে অভিনেত্রী যে টুইটটি করেছিলেন, তার ছবিতেই স্পষ্ট যে বিএমসির কর্মীরা বুলডোজার নিয়ে প্রস্তুত অফিস ভাঙার কাজে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কঙ্গনা রানাউতের মণিকর্ণিকা অফিস ভাঙচুরের পর এবার অভিনেত্রীর হাউসিং সোসাইটি অর্থাত চেতক সোসাইটিকে নোটিস পাঠাল বিএমসি। চেতক সোসাইটিতে কাদের ফ্ল্যাট রয়েছে, সেই সমস্ত তথ্য বিমসিকে জমা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি চেতক সোসাইটি গত ৩ বছর ধরে কী ধরনের মিটিং করেছে, সেই সমস্ত তথ্যও জমা দিতে হবে বলে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিএমসির তরফে। ওই চেতক সোসাইটির সঙ্গে কারা জড়িত রয়েছেন, সে বিষয়েও সমস্ত তথ্য বিএমসিকে জানাতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: লাগামহীন সংক্রমণ, দৈনিক সংক্রমণ ফের ৯০ হাজার, আক্রান্ত ছাড়াল ৫০ লাখ

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে  বলিউডের একাংশের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছেন কঙ্গনা রানাউত। বলিউডের একাংশের সঙ্গে মাদক চক্রের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি মুম্বই শহর এবং সেখানকার পুলিসের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন কঙ্গনা। মুম্বইকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করে জোরদার বিতর্কে জড়ান কঙ্গনা। শুধু তাই নয়, মুম্বইকে সরাসারি পাকিস্তান বলে আক্রমণ করতেও পিছপা হননি অভিনেত্রী। কঙ্গনার ওই মন্তব্যের পর মুখ খোলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। তিনি বলেন, মুম্বইতে এখনও দাউদের পুরনো বাড়ি বহাল তবিয়তে রয়েছে অথচ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে কঙ্গনার বাড়ি। যা নিয়ে বিজেপির সঙ্গে শিবসেনারও বিবাদ শুরু হয়ে যায়।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close