fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

কঙ্গনার দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকানো হলে চোখ উপড়ে নেওয়ার হুমকি করণী সেনার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: শিবসেনা আর কঙ্গনা রানাওয়াত দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। এরমদ্ধেই কঙ্গনাকে সমর্থন করেছে করণী সেনা। এয়ারপোর্টে শিবসেনার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে  পড়ে করণী সেনা। করণী সেনার তরফে জানানো হয়েছে যে,  কেউ যদি কঙ্গনার উপর হাত তোলার চেষ্টা করে তার হাত কেটে নেওয়া হবে। কেউ যদি খারাপ নজরে তাঁকে দেখে তাহলে তাঁর চোখ তুলে নেওয়া হবে।

শিবসেনার গুন্ডাদের হুমকি সত্ত্বেও কঙ্গনা রানাওয়াত ‘Y’ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা নিয়ে মুম্বাই পৌঁছে যায়। মুম্বাই এয়ারপোর্টে কঙ্গনা পৌঁছাতেই স্লোগান শোনা যায়। এই বিষয়ে কঙ্গনাকে পূর্ন সমর্থন করেছে করণী সেনা। কঙ্গনার বাড়ির বাইরেও সুরক্ষা কড়া করে দেওয়া হয়েছে। করণী সেনার সাধারণ সৈনিকরা ছাড়াও মহিলা উইং এর সৈনিকদেরও এয়ারপোর্টে উপস্থিত থাকতে দেখা  যায়।

[আরও পড়ুন- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে ৭০ সংকল্প বিজেপির]

বুধবার মুম্বাইতে কঙ্গনার বাড়ি এবং অফিস ভেঙে ফেলে বিএমসি। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে পৌঁছায়। মুম্বই পৌঁছনোর আগেই ভেঙে ফেলা হয় কঙ্গনা রানায়াতের অফিস বিল্ডিং। এরপর অভিনেত্রী নিজেই টুইট করে জানান যে, মহারাষ্ট্র সরকার  গুণ্ডারা ওনার সম্পত্তি ভাঙচুর করা শুরু করেছে। ওইদিনই বিএমসি কঙ্গনা রানাওয়াতের মুম্বাইয়ের অফিসে নোটিশ ঝুলিয়েছিল। এই নোটিশে কঙ্গনার অফিসকে অবৈধ বলা হয়েছিল। এই নোটিশেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, ভেঙে ফেলা হবে ওই অবৈধ অফিস। এরপরেই অফিস ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে টুইট করেন কঙ্গনা রানাওয়াত। তিনি লেখেন যে, গণতন্ত্রের মৃত্যু। মুম্বইকে ফের পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করেন কঙ্গনা।

এরপরেই পুরসভার কাজে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানিয়ে তড়িঘড়ি বম্বে হাই কোর্টে নিজের আইনজীবীকে পাঠান কঙ্গনা। অভিনেত্রীর আরজির ভিত্তিতে বেশ তৎপরতার সঙ্গেই মামলার শুনানি শুরু হয়। এরপর বিএমসিকে বাড়ি এবং অফিস বিল্ডিং ভাঙার কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয় বম্বে হাই কোর্ট। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেই ভাঙার কাজে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়।

 

Related Articles

Back to top button
Close