fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কাটোয়ায় বালি বোঝাই লরির ধাক্কায় মৃত দুই, আহত এক

দিব্যেন্দু রায়,কাটোয়া: রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বালি বোঝাই লরির সঙ্গে চারচাকা গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল দুই জনের। আহত হয়েছেন আরও একজন।এক কিশোরী সহ চার চাকার দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে এসটিকেকে রোডের কাটোয়ার গোরাগাছা গ্রামের কাছে।

মৃতদের নাম নাজমিনা খাতুন(১৬) ও দেবার্ঘ্য(৫০) দাস । আহত শচীন চক্রবর্তী বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ লরিটিকে আটক করেছে।

জানা গেছে, চার চাকা গাড়িটি বীরভুমের সিউড়ির বাসিন্দা পেশায় ব্যাবসায়ী শেখ সাজাহানের। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি ব্যবসার কাজে সিউড়ি থেকে কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। সাজাহান ছাড়াও গাড়িতে ছিলেন তাঁর ব্যাবসায়িক বন্ধু দেবার্ঘ্য দাস, সাজাহানের সম্পর্কীত নাতনি নাজমিনা খাতুন ও গাড়ির চালক শচীন চক্রবর্তী । চালক থাকলেও গাড়িটি শাজাহানই চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সাজাহানের পাশে বসেছিল নাজমিনা। পিছনে ছিলেন দেবার্ঘ্যবাবু ও শচীন । এদিকে গোরাগাছার কাছে রাস্তার ধারে অন্ধকারে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল বালি বোঝাই লরিটি। লরির একটা অংশ রাস্তার উপরেই ছিল বলে জানা গেছে। শেখ সাজাহান গোরাগাছার কাছে এলে বুজতে না পেরে দাঁড়িয়ে থাকা বালির লরির পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দেবার্ঘ্যবাবু ও নাজমিনাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

শচীনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জানা গেছে, মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা এলাকায় বাড়ি নাজমিনা খাতুনের। সে দশম শ্রেণীতে পড়াশোনা করত। মাস দুয়েক আগে সে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাঁর দাদু শেখ সাহাজান তাকে বীরভূমের সিউড়িতে নিয়ে আসেন।

ইতিমধ্যে লকডাউন ঘোষনা হওয়ায় সিউড়িতে আটকে পড়ে নাজমিনা। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে পথ দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Related Articles

Back to top button
Close