fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে দিনহাটায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সময়সীমা পরিবর্তন করল প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদদাতা, দিনহাটা: ব্যবসা-বাণিজ্যের সময়সীমা বেলা দু’টোর পরিবর্তে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত খোলা রাখায় সিদ্ধান্ত কার্যকর হল মঙ্গলবার থেকে। ব্যবসায়ী সংগঠন গুলির এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় খুশি ব্যবসায়ীরা । লকডাউনের ফলে দোকানপাট সহ বিভিন্ন বাজার খোলার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। সেই অনুযায়ী দিনহাটাতে সকাল ৮টা থেকে ১২ টার পরিবর্তে বেলা দুটো পর্যন্ত বিভিন্ন দোকানপাট খোলা থাকে।

 

 

 

বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরাও দোকান খোলা ও বন্ধের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির নেতৃত্বদের কাছে আবেদন জানান। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও ব্যবসায়ীরা মহকুমা শাসক শেখ আনসার আহমেদ, দিনহাটা পুরসভার প্রশাসক উদয়ন গুহ, দিনহাটা থানার আইসি সঞ্জয় দত্তর সাথে আলোচনা করে তাদের দোকানপাট খোলা ও ভিড় রোধে বিভিন্ন ভাবে সিদ্ধান্ত নেন।
মহকুমার দুইটি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্বরা আলোচনার মধ্য দিয়ে দোকানপাট দুটোর পরিবর্তে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমান কঠিন এই পরিস্থিতিতে একটানা প্রায় তিন মাস পর একটানা বেশ কয়েক ঘন্টা ব্যবসা করার সুযোগ পেয়ে খুশি ব্যবসায়ীরাও। ব্যবসায়ীরা বলেন, মাস তিনেক ধরে লকডাউনের জন্য দোকানপাট নির্দিষ্ট মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য খোলা থাকায় তাদের ব্যবসায় অনেক ক্ষতি হয়েছে।

 

 

বর্তমানে লকডাউন কিছুটা শিথিল করেছে সরকার। আর এই সময় ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে দোকানপাট সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাদের অনেকটাই সুবিধা হল। মহকুমা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক উৎপলেন্দু রায় বলেন বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই প্রশাসনের সাথে কথা বলে ব্যবসায়ীদের রক্ষা করতে এবং অর্থনীতিকে আরো গতিময় করে তুলতে তারা আলোচনা করে সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দোকান হাট বাজার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সেই অনুযায়ী আজ থেকেই সব কিছু খোলা থাকে বলেও তিনি জানান। দিনহাটা মহকুমা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক রানা গোস্বামী বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এবং তারা দুই ব্যবসায়ী সংগঠন মিলে আলোচনা করে দুপুর দুই টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দোকান বাজার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেন। সেই অনুযায়ী এদিন থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। দোকানপাট খোলা রাখার সময়সীমা বাড়ানো হলেও ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। কেউ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না হবে বলেও তিনি জানান। এজন্য তারা দোকান এবং বাজারগুলিতেও বিশেষভাবে নজরদারি চালাবেন।

Related Articles

Back to top button
Close