fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় গ্রামে ঢুকতে বাধা সাংসদ খগেন মুর্মুকে

মিল্টন পাল,মালদা: চিকিৎসককে মারধর ও মন্দির ভাঙচুরের দুষ্কৃতীদের হামলায় ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মন্দিরের দেবী মূর্তির অলঙ্কার , প্রণামী বাক্স লুটের ঘটনায় পর পরিদর্শনে গিয়ে মাঝপথে আটকে দেওয়া হল উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। ঘটনাটি ঘটেছিল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা র রসিলা বাগ গ্রামে। পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংসদকে ওই এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার দুপুরে চন্ডিপুর গ্রামে আক্রান্ত মানুষদের খোঁজখবর নিতে জান উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু । কিন্তু কাজ তাকে গ্রামে যেতে বাধা দেয় পুলিশ । আর এনিয়ে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে গ্রামে যেতে দেওয়া হয় নি। কন্টাইনন্মেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকা।

পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে যেহেতু মঙ্গলবার কারণ ওই রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি গ্রামে করোনা আক্রান্তের হদিস মিলেছে। তাই এই লেখাগুলি কন্টাইন্মেন্ট জনি সাথে ঘটনা করা হয়েছে। আর এই অজুহাতে এদিন সাংসদকে ওই এলাকায় ঢুকতে দেয় নি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার।

মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয় চন্ডিপুর এলাকার বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। যদিও পুলিশি বাধায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয়। গোটা ঘটনা নিয়ে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন সাংসদ।উল্লেখ্য, শনিবার রাতে চন্ডিপুর গ্রামে এক হাতুড়ে চিকিৎসক সহ কয়েকজন গ্রামবাসীর বাড়ি ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। লুট করা হয় মন্দিরের দেবী মূর্তি লক্ষাধিক টাকার সোনা, চাঁদির অলংকার ।প্রণামীর ৩৫ হাজার টাকা। আক্রান্তেরা জানিয়ে ছিলেন, হরিশ্চন্দ্রপুরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ার পর এলাকায় জমায়েত না করার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। আর এই নিয়েই বহিরাগত কিছু দুষ্কৃতিরাই পরিকল্পনা করে ওই এলাকায় হামলা চালায়। বাড়ি, ঘর ভাঙচুর করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল টুইট বার্তায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে । যদিও দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানোর কথা জানিয়েছে পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া । এর বেশি তিনি কোন কিছু মন্তব্য করতে চান নি।
এদিকে উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ মৌসম নুর। তিনি বলেন, এতদিন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে দেখা যায় নি। হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার করোনা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। রাজনীতি করতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি সেখানে যাচ্ছিলেন। তিনি যে দাবিগুলি করছেন সেগুলি ভিত্তিহীন।

যদিও এ ব্যাপারে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন , উত্তর মালদার মধ্যেই হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকাটি পড়ছে। সেখানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তার হাল-হকিকত আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে মাঝপথে আটকাল পুলিশ। আমি এর জবাব চাইছি । গণতান্ত্রিক দেশে একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে কেন আমি এলাকায় যেতে পারবো না। অদ্ভুত সব যুক্তি দিয়ে আমাকে ওই এলাকায় যেতে দেওয়া হয় নি। পুরো বিষয়টি আমি দিল্লিকে জানাব।

Related Articles

Back to top button
Close