fbpx
অন্যান্যঅফবিটপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সংক্রমণ রুখতে পানাগড়ে শশ্মানকালী মন্দিরে খিচুড়ী প্রসাদ খাওয়ানোয় ছেদ 

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: ঐতিহ্যবাহী…তার সঙ্গে এলাকাবাসীর ভাবাবেগ জড়িয়ে। তবুও, মহামারী করোনার কামড় রুখতে পুজোয় জমায়েত ছেদ পড়ল। আর তাই পাত পেড়ে বসে খিঁচুড়ি প্রসাদ খাওয়া এবছর বাতিল করল পুজো উদোক্তারা। প্রসাদ হলেও ভিড় ঠেকাতে কাগজের বাটিতে দেওয়া হবে। এমনই উদ্যোগ নিল পানাগড় গ্রাম শশ্মান কমিটি।

দুদিন পরই কার্তিক অমাবস্যা। কালী মাতার পুজো। একরাতের পুজো হলেও ধর্মপ্রাণ বাঙালির উৎসবে খামতি থাকে না। সন্ধ্যা থেকে যেমন ঘরে ঘরে আলোর উৎসবে মেতে ওঠেন। তেমনই রাতভর প্রতিমা দর্শন। তার সঙ্গে খিচুড়ীর প্রসাদ খাওয়ার আনন্দটা অন্য মাত্রা থাকে। গত সাত মাস ধরে চীনের উহান উজাড় করা করোনার ত্রাসে ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। হু হু করে বাড়ছে সংক্রামকের সংখ্যা। আর সংক্রামক রুখতে ইতিমধ্যে জমায়েত থেকে শুরু করে পুজো বাজি ফাঠানো, ভিড়ে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। আর তাতেই স্বাস্থ্যবিধিকে মান্যতা দিয়ে এবারে পানগড় গ্রাম শশ্মানকালি পুজোয় অনেকাংশে কাটছা্ট করল।

২ নং জাতীয় সড়কের কোল ঘেষা মন্দির। চার দিকে অনতি উচু পাঁচিল। চার পাশে নানান গাছের বাগান। রয়েছে ছোট্টো পুকুর। প্রাকৃতিক সৌন্দোর্যে ঘেরা গোটা মন্দির চত্ত্বর। পুজোর দিন আলোয় সাজানো দৃশ্য উৎসাহীদের দেখতে উপচে পড়া ভিড় হয়। প্রায় পঞ্চাশের বছর ধরে হয়ে আসা পুজো নিয়ম মেনেই হবে বলে জানালেন উদ্যোক্তারা। মন্দির উন্নয়ন কমিটির সম্পাদক কল্যানী প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় জানান,” পুজোর জাতীয় সড়কের পাশেই  মন্দির। পুজোর দিন অন্যান্য বছরের মতো দর্শনার্থীদের ভিড় ঠেকানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুন্যার্থীরা পুজো দেবেন। জমায়েত করা যাবে না। পরদিন মন্দির চত্ত্বরের ফাঁকা জমিতে বসে  খিচুড়ি খাওয়ানো হত। প্রায় হাজার দশেক লোকের সমসগম হত। সেটা এবছর বাতিল রাখা হয়েছে। তবে রাত্রে মায়ের খিচুড়ি প্রসাদ বিতরন করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বসে খাওয়া বা খাওয়ানোর আক্ষেপ থাকলেও করোনা মহামারীর সংক্রামক রুখতে হবে। সামনের বছর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আবার ঐতিহ্য মেনে সবই হবে।” তিনি বলেন,” নির্দিষ্ট সংখ্যায় পুন্যার্থীদের মন্দিরে প্রবেশ করানো হবে। মাষ্ক বাধ্যতামুলক।”

 

 

Related Articles

Back to top button
Close