fbpx
কলকাতাহেডলাইন

নিম্নমানের দ্রব্য ব্যবহার করায় দুই নির্মাণ সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করল KMDA 

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: বাঘাযতীন ও বিজন সেতু নির্মাণের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় উড়ালপুল নির্মাণ সংস্থা কে কালো তালিকাভুক্ত করল কেএমডিএ। এবার এই অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়ম মাফিক ওই দুই সংস্থাকে শাস্তি দিতে চলেছে নবান্ন। শনিবার এমনটাই খবর মিলছে নবান্ন সূত্রে।
আগামী মাস থেকেই শহরের আটটি ব্যস্ততম সেতুর সংস্কার করার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এরমধ্যে বাঘাযতীন সেতু এবং রুবি ও গড়িয়াহাট সংযোগকারী বিজন সেতুর অবস্থা সবথেকে খারাপ। মাঝেরহাট সেতু ভেঙে পড়ার পর শহরজুড়ে সেতু গুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই কেএমডিএ’র বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার অমিতাভ ঘোষাল নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে শহরের সেতু গুলির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। সেই কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে এই দুই সেতুর নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কথা। এদিকে দেখা গিয়েছে, বিজন সেতুর ক্ষেত্রে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হয়েছে নিম্নমানের সামগ্রী। তাতেই সেতুটির আয়ু দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে,বাঘাযতীনে রেললাইনের উপরে ২০০০ ও ২০১০ সালে তৈরি দু’টি পৃথক ব্রিজের নির্মাণেই বড়মাপের গলদ রয়েছে। বাঘাযতীনের দুইটি ফ্লাইওভারের একটির বয়স হয়েছে ১০ বছর। অন্যটির বয়স ২০ বছর। দুটি ফ্লাইওভারের অবস্থা-ই ভীষণ খারাপ। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই দুটি ফ্লাইওভার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এমনকি নিম্নমানের জলও ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিন কমিটির রিপোর্ট হাতে পেয়েই নির্মাণকাজে যুক্ত ঠিকাদার সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। এবিষয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সেতু নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায়, এই সমস্ত বেসরকারি সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কেএমডিএ- নির্মাণ সংক্রান্ত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বিশেষজ্ঞ ওই কমিটির সঙ্গে রয়েছে দেশের একটি নামজাদা সমীক্ষক সংস্থাও। শহরের মোট ১১টি ব্রিজের ‘স্বাস্থ্য পরীক্ষা’ করে তারা। সেই রিপোর্টেই ব্রিজ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার উল্লেখ করেছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

Related Articles

Back to top button
Close