fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সংক্রমণ রুখতে ই-অফিস চালু করতে চায় কলকাতা পুরসভা

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: ফাইল চালাচালি আর নয়। সংক্রমণ রুখতে বাড়িতে বসেই ই-অফিস করতে পারবেন পুরসভার সব ম্যানেজার, এক্সকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার বা তার সমমর্যাদাসম্পন্ন পদ ও তার উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিরা। প্রশাসক চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমের চেয়ারম্যান বোর্ডের অনুমোদনের পরে পুরকমিশনার বিনোদ কুমার সম্প্রতি এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। ঐ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ম্যানেজার, এক্সকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার বা তার সমমর্যাদাসম্পন্ন পদ ও তার উচ্চপদে ই-অফিসের মাধ্যমে কাজ শুরু হচ্ছে।

প্রতিদিন শহর জুড়ে তীব্রতর হচ্চে করোনার থাবা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। এদিকে পুরসভাতে নোটিশ জারি হয়েছে কর্মীদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতি চাই। ইতিমধ্যে সংক্রমণ ঢুকে পড়েছে পুরসভার অন্দরে। তাই যথেষ্ট উদ্বিগ্ন পুরসভা। এমত অবস্থায় সংক্রমণ রুখতে ই-অফিসের প্রবর্তন করতে চায় কলকাতা পুরসভা। প্রাথমিক ভাবে এই ই-অফিস পুরসভার সব ম্যানেজার, এক্সকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার বা তার সমমর্যাদাসম্পন্ন পদ ও তার উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের জন্য চালু করা হবে। সূত্রের খবর দিন পনেরোর মধ্যেই এই ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে। বাড়িতে বসেই এরা সবাই কাজ করতে পারবেন। সমস্ত বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাদের নিজ নিজ বিভাগের কর্মচারী মাস্টার ডাটাবেস প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তাড়াতাড়ি কেএমসির আইটি বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চোরাই মোবাইলের কারবার চালানোর দায়ে বর্ধমানে গ্রেফতার ৫ 

ফাইল চালাচালির মাধ্যমে কোনোরকম সংক্রমণ এড়াতে ও শহরবাসীকে আরো দ্রুত পুরপরিষেবা পৌঁছে দিতে কলকাতা পুরসভা ই-অফিস চালু করতে চলেছে। তবে নিচের স্তরে সাধারণভাবে ফাইল স্থানান্তর হবে। ঐ ফাইলের বিষয়বস্তু স্ক্যান করে কম্পিউটারে আপলোড করা হবে। বিভাগীয় প্রধানদের এমপ্লয়ি ডেটাবেস তৈরি করতে বলা হয়েছে । বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে পুরসভার অফিসের সবস্তরের কাজই ই-অফিসের মাধ্যমে করা হবে। পর্যায়ক্রমে সব স্তরে ই-অফিস পদ্ধতি চালু করা হবে।

এর ফলে নাগরিককেন্দ্রিক পরিষেবাগুলি দ্রুত ট্র্যাক করার আন্তরিকভাবে একটি উদ্যোগে কলকাতা পৌর কর্পোরেশন ই-অফিসের মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কেএমসির এক প্রবীণ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “পৌর সেবা নাগরিককেন্দ্রিক এবং এ জাতীয় পরিষেবাদিতে ন্যূনতম যে কাল বিলম্ব হচ্ছে তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব। মূলত দেখা যায় যে কোনও ব্যক্তিগত ফাইল যখন কোনও কারণে অফিসিয়াল কক্ষ থেকে তার কক্ষ সংলগ্ন কোনও অফিসারের কাছে যেতে দশ দিন সময় লাগে। তা আর বিলম্ব হবে না। সমস্ত ফাইল সহজেই ট্র্যাক করা যাবে। এটি কোনও নির্দিষ্ট ফাইল হারাবার সম্ভাবনাও হ্রাস করবে।’

Related Articles

Back to top button
Close