fbpx
কলকাতাহেডলাইন

লক্ষ্য একুশ, মোদিকে মুখ করে পুজোয় প্রচারের পরিকল্পনা বিজেপির

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: একুশের নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়তে খুব বেশি দেরি নেই। আর বাংলার রাজনীতির ‘ডার্বির’ আগে সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। তাই পুজোকে এবার জনসংযোগের মাধ্যম হিসেবে পুরোদমে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। আর সেই প্রচারের মুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

প্রসঙ্গত উনিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লাগাতার প্রচারে এসেছিলেন এ রাজ্যে। ফলও মিলেছিল হাতেনাতে, ১৮ টি আসন জিতেছিল বিজেপি। একুশের লড়াইয়েও বঙ্গ বিজেপির বড়ো ভরসা নরেন্দ্র মোদিই।

বড়ো পুজো মণ্ডপ কিংবা জনবহুল এলাকায় থাকবে গেরুয়া শিবিরের স্টল। দর্শনার্থীদের কাছে গেরুয়া ব্রিগেড পৌঁছে যাবে। হাতে থাকবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চিঠি। কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণ মূলক কাজ কি কি হয়েছে তার উল্লেখ থাকবে ওই চিঠিতে। পাশাপাশি কৃষিবিলের পক্ষেও প্রচার হবে। পুজোতেও মোদি মুখকে সামনে রেখে বাংলায় জনসংযোগের ভিত আরও বাড়িয়ে নিতে চান দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়রা।

একইসঙ্গে একুশের মহারণের আগে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে শারদোৎসবকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। এই লক্ষ্যে পুজোয় দর্শনার্থীদের বিজেপি পরিবারের সদস্য করতে পাড়ায় পাড়ায় কাউন্টার করার পরিকল্পনা নিয়েছে গেরুয়া শিবির।  তিন কোটি সদস্য করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছে তারা।  দলমত নির্বিশেষে সকলকে বাংলার পরিবর্তনে বিজেপি পরিবারের সদস্য হওয়ার ডাক দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় নেতা জেপি নাড্ডা থেকে দিলীপ ঘোষরা। বিজেপি পরিবারের সদস্য হওয়ার আবেদন জানিয়ে পুজোর সময় পাড়ায় পাড়ায় বাজবে থিম সং।

আরও পড়ুন: যৌন অপরাধ! দেশের অন্যান্য মহানগরের তুলনায় সুরক্ষিত কলকাতা: NCRB

এপ্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, ‘পুজোর সময় সারা রাজ্যজুড়ে হাজারের বেশি বুক স্টল থাকবে। সেখানে এবং বিভিন্ন জায়গায় আলাদা কাউন্টার করে দর্শনার্থীদের আমরা আবেদন জানাব বিজেপি পরিবারের সদস্য হওয়ার জন্য। মিসড কল করে ও ফর্ম ফিলআপ করে সদস্য করা হবে। দর্শনার্থীদের হাতে লিফলেট দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর চিঠি থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকার কী কী জনকল্যাণমূলক কাজ করেছে তা উল্লেখ থাকবে ওই চিঠিতে।’

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close