fbpx
অসমহেডলাইন

লক্ষীপুরে বিজেপি টিকিটের দাবিদার থৈবা !

নিজস্ব প্রতিনিধি, লক্ষীপুর: অসম বিধানসভা নির্বাচনে ১৯৯১ সাল থেকে লক্ষীপুরে প্রার্থী দিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত জয়ের স্বাদ পায় নি। অবশ্য প্রথম দিকে এক-দুবার জয়ের আসা দেখেছিল, কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নি। এর পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে যে বিজেপি প্রার্থী নির্বাচিত হচ্ছে, তার কোনও লক্ষণই দেখা যায় নি। বিপরীতে প্রতি নির্বাচনে বিজেপির ভোট কমে আসতে দেখা যায়। অনেকে বলেন, লক্ষীপুরে কংগ্রেস-বিজেপির মধ্যে মুখ্য লড়াই হলেও নির্বাচনের পর বিজেপির অস্তিত্ব খুঁজে না পাওয়ায় প্রতি নির্বাচনে বিজেপির ভোটিং গ্রাফ কমে আসছিল।

এমন পরিস্থিতিতে ২০০০ সালে বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষীপুর থেকে বিজেপি টিকেট পান থৈবা সিংহ। কিন্তু নির্বাচিত হতে পারেন নি। তবে, ১৯৯১ সাল থেকে পরবর্তী সময়ের ভোট সংখ্যার তুলনায় সর্বাধিক ভোট টানতে সক্ষম হন তিনি। এরপর থেকে প্রথমবারের মত আর মাঠ না ছেড়ে দলকে সামনে রেখে নিয়মিত জনসমস্যা মিটিয়ে যান। থৈবা সিংহর মূল বাড়ি লক্ষীপুরের শিবপুর গ্রামে হলেও তিনি পরিবার নিয়ে থাকেন গুয়াহাটি। ২০০০ সালে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করার পর তিনি গুয়াহাটিতে পরিবার রেখে লক্ষীপুরেই দলীয় কাজে ঝাঁপিয়ে পরেন।

অনেকের মতামত অনুযায়ী, বিজেপি অস্তিত্ব না থাকা লক্ষীপুরে থৈবার অকাল পরিশ্রমে বিজেপির অস্তিত্ব তৈরি করেছে। যার ফলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রথমবারের মত লক্ষীপুরে বিপুল সাফল্য পায় বিজেপি। তার প্রচেষ্টায় কংগ্রেস দখলে থাকা লক্ষীপুর পুরবোর্ড অনাস্থা ভোটে বিজেপি দখল করে। একইভাবে প্রভাব পরে সাংসদ নির্বাচনেও।  কিন্তু একুশ বিধানসভা নির্বাচন আসতেই পূর্বেকার নীতি অনুযায়ী মাঠে না থাকা প্রার্থীরাও এখন বিজেপি টিকিট দাবি করতে লবি কেন্দ্রিক রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে, এনিয়ে থৈবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর দলীয় আদর্শ মেনেই কাজ করে গিয়েছিলেন। এতে প্রত্যাশী জনতা উপকৃত হয়েছেন কিনা, সেই কথা জনতাই বলতে পারবেন। একবার রাজ্য বিজেপির কাছে বছরের কাজের একটি রিপোর্ট কার্ডও জমা দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। তবে টিকেট বিষয়ে তিনি কিছু না বললেও,কাজের উপর গুরুত্বআরোপ করে দলই চূড়ান্ত সিদ্বান্ত নেবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।

Related Articles

Back to top button
Close