fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিভেদ ভুলে বেসরকারি স্কুলে ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবিভাবকদের মৌন মিছিলে শামিল সব রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: রাজনীতির ময়দানে পরস্পর বিরোধী। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। বেসরকারি ইংরাজীমাধ্যমের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবিভাবকদের আন্দোলনে বিভেদ ভুলে সামিল হলেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। শুক্রবার নজিরবীহিন ঘটনার সাক্ষী রইল শিল্পশহর দুর্গাপুর।

এদিন অবিভাবকদের মৌন মিছিলে পা মেলালেন, বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে চলছে লকডাউনের পর আনলক পর্যায়। বন্ধ স্কুল কলেজের ক্লাস। তারপরও বেসরকারী স্কুলে পড়ুয়াদের নানা ফি আদায়ে মাথায় হাত পড়েছে অবিভাবকদের। আর তাতেই প্রতিবাদে সরব অবিভাবকরা। যদিও রাজ্যের প্রন্সিপাল সেক্রেটারী এক নির্দেশিকা জারি করেছে।

অবিভাবকদের দাবী, তাতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, টিউশিন ফিজ ছাড়া অন্য কোন ফিজ নেওয়া যাবে না। তারপরও পাঠাক্রম বর্ষ শুরু হতেই ক্রমাগত ফিজ জমা দেওয়ার নোটিশে বেজায় ক্ষুব্ধ অবিভাবকরা। গত কয়েকমাস ধরে দুর্গাপুরে বিভিন্ন বেসরকারী স্কুলে অবিভাবকদের আন্দোলন চলছে। শুক্রবার দুর্গাপুর গান্ধীমোড় থেকে মহকুমাশাসক ভবন পর্যন্ত অবিভাবক ফোরাম মৌন মিছিল করে। ওই মিছিলে অবিভাবকদের সঙ্গে পা মেলান সিপিএম বিধায়ক সন্তোষ দেবরায়, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি লক্ষন ঘড়ুই, কংগ্রেস নেতা দেবেশ চক্রবর্তী।

আন্দোলনকারী অবিভাবক ফোরামের পক্ষে সঞ্জয় কুমার মিত্র জানান,” টিউশন ফিজ দিতে আপত্তি নেই। কিন্তু ল্যাবরটারী ফিজ, কম্পিউটার, স্পোর্ট, স্মার্ট বোর্ড এই সমস্ত ফিজ কোনভাবে নেওয়া যাবে না।” এদিন সিপিএম বিধায়ক সন্তোষ দেবরায় বলেন,” প্রিন্সিপাল সেক্রেটারীর নির্দেশিকা কার্যকরী করা হোক। জনপ্রতিনিধি হিসাবে মানবিক দৃষ্টি ভঙিতে সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে অবিভাবকদের এই আন্দোলনকে এগিয়ে সার্থক করার জন্য চেষ্টা করা।”

বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল জানান,” অবিভাবকদের আন্দোলনের ইস্যুটি যুক্তি সঙ্গত। তাই সামিল হয়েছি।” এদিন দুর্গাপুর মহকুমাশসকের কাছে স্মারকলিপি দেয় অবিভাবক ফোরাম।

Related Articles

Back to top button
Close