fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লোকাল ট্রেন ইস্যুতে রাজ্যের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক চায় পূর্ব রেল

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লোকাল ট্রেন না চলায় অনেক ক্ষেত্রেই রেলকর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট ট্রেনে উঠে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা। আইন মেনে তাঁদের ট্রেন থেকে নামিয়ে দিলে, ফাইন করলে ফল হচ্ছে বিপরীত। সম্প্রতি সোনারপুর ও লিলুয়া স্টেশনে উন্মত্ত জনতাকে সামলাতে হিমশিম খায় আরপিএফ। এই পরিপ্রেক্ষিতে ফের রাজ্যকে চিঠি দিল রেল। মঙ্গলবার পূর্ব রেলের অতিরিক্ত জেনারেল ম্যানেজার রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে জানানো হয়েছে, লোকাল ট্রেন না চলায় অশান্তি হচ্ছে, রেল সম্পত্তি নষ্ট করছেন ক্ষিপ্ত জনতা। এই পরিস্থিতিতে রেলের সঙ্গে রাজ্য দ্রুত বৈঠক করে ঠিক করুক লোকাল ট্রেন ইস্যুতে কীভাবে কী করা সম্ভব।

স্বাভাবিক সময়ে শিয়ালদা ও হাওড়ার লোকাল ট্রেনের সংখ্যা ১৩৮৭। যার মধ্যে শিয়ালদার লোকালের সংখ্যা ৯২৭ ও হাওড়ার ৪৬০টি। ।এখন সেখানে রেলকর্মীদের জন্য দুই ডিভিশনে ১৮২টি স্পেশ্যাল ট্রেন চলছে। এদিকে নিরুপায় হয়ে বহু যাত্রী সেই ট্রেনে চড়ছেন।। রেল প্রস্তুত হলেও রাজ্যের অনুমতি ব্যতীত ট্রেন চলা সম্ভব নয়। তাই রাজ্যের সঙ্গে দ্রুত বৈঠকের আর্জি জানাল রেল। প্রসঙ্গত, রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। চিঠিতে লিখেছেন, বাংলায় যত দ্রুত সম্ভব লোকাল ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করুক মন্ত্রক। তবে মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং সামাজিক দূরত্ব বাধ্যতামূলক করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন সাংসদ। এরপর ফের রাজ্যকে চিঠি দিল রেল।

এদিকে আরপিএফ উৎসবের মরশুমে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে রেল যাত্রীদের জন্য। এই সময়ে স্পেশাল ট্রেন বাড়ানো হলো যাত্রী চাপ সামলানোর জন্য। কোভিড পরিস্থিতিতে যাতে জনতার ভিড়ে করোনা সংক্রমণ না বাড়ে সেইদিকে লক্ষ্য রেখেই এই নির্দেশিকা জারি করলো আরপিএফ। কী রয়েছে নির্দেশিকায়? যদি মাস্ক না পরে বা ঠিকভাবে না পরে ট্রেনে ওঠেন, যদি করোনা পজিটিভ হন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করিয়ে ট্রেনে ওঠেন, স্টেশন চত্বরে থুতু ফেলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করেন, তাহলে রেলওয়ে প্রোটেকশান অ্যাক্টের ১৪৫, ১৫৩, ১৫৪ ধারা অনুযায়ী আইনভঙ্গকারীর কারাবাস বা জরিমানা বা দুটোই হতে পারে।

Related Articles

Back to top button
Close