fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

লোকাল ট্রেন চলবে না, লকডাউন জারি থাকুক, দিল্লিকে জানালো নবান্ন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: চতুর্থ দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী রবিবার, ৩১ মার্চ। তারপরের পর্যায়ে কোভিড মোকাবিলায় রাজ্যগুলি কী ভাবছে তা জানতে বৃহস্পতিবার সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করেন ক্যাবিনেট সচিব। লকডাউন এখনই যাতে না ওঠে তার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব রাজীব গৌবার কাছে আবেদন করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।

রাজ্যের কোভিড চিত্রের উল্লেখ করে মুখ্যসচিব রাজীব সিংহ শহরতলির ট্রেন এবং মেট্রো পরিষেবা এখনই চালু না করার কথা জানান কেন্দ্রকে। প্রতিদিন শিয়ালদহ এবং হাওড়া স্টেশন থেকে পূর্ব এবং দক্ষিণ পূর্ব রেলের লোকাল ট্রেনে প্রায় ২২ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন। মেট্রো সফর করেন গড়ে প্রতি দিন প্রায় ৫ লাখ মানুষ। লোকাল ট্রেন ও মেট্রোয় আদৌ কতটা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব তা নিয়ে সংশয় রয়েছে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদেরই। ঠিক সেই কারণেই তাঁদের আশঙ্কা, লোকাল ট্রেন এবং মেট্রো চালু হলে কোভিড সংক্রমণ লাগাম ছাড়া হয়ে পরিস্থিতি হাতের বাইরেও চলে যেতে পারে।নবান্ন সূত্রে খবর, সেই পরিস্থিতির কথা ব্যাখ্যা করেই লোকাল ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা চালুর ব্যাপারে রাজ্যের তরফে আপত্তির কথা জানানো হয়।

আরও পড়ুন: করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন বিজেপির মুখপাত্র

উল্লেখ্য, লকডাউন ৪-এর পর পঞ্চম দফার লকডাউন কী হতে চলেছে, তাই নিয়ে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা। সেখানেই রাজীব সিনহা তাঁকে জানান, বর্তমানে আম্ফান ও পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে রাজ্যের যা পরিস্থিতি তাতে লকডাউন পুরোপুরি তুলে দেওয়া রাজ্যের পক্ষে সম্ভব নয়। বরং এই ক্ষেত্রে রেড জোনে কিছুটা ছাড় আরও বাড়ানো যায়। কিন্তু কনটেন্টমেন্ট জোনে নিষেধাজ্ঞা তোলা কোনওমতেই সম্ভব নয়। পাশাপাশি, আম্ফান বিপর্যয় ও পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্য জেরবার। এই দুইয়ের জেরে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই প্রায় ২০০ আক্রান্তের খোঁজ মিলছে। তাই মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজ্য মনে করছে লোকাল ট্রেন এখন চললে সবরকম স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে না। ফলে সংক্রমণ আরও বাড়বে। তাই এই ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। আলোচনা হয় শপিং মল খোলার বিষয়েও। ইতিমধ্যেই কর্নাটকে শপিং মল কর্তৃপক্ষগুলি রাজ্যের কাছে মল খোলার অনুমতি চেয়েছে। মল কর্তৃপক্ষ সরকারকে আশ্বস্ত করেছেন, তাঁরা সামাজিক দূরত্ব মেনে জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিচ্ছেন।সূত্রের খবর, রাজীব গৌবা রাজ্যের এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close