fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লকডাউনে আসানসোলে দেখা মেলেনি বাবুলের: মলয় ঘটক

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল:  আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে লক ডাউনের আগে থেকেই আসানসোলে দেখা যাচ্ছে না। কোথাও তার দলের কর্মী বা নেতাদেরও দেখা মিলছে না। অথচ তাদের দলের রাজ্য নেতারা ঘরে বসেই রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে যাচ্ছেন।

রবিবার সকালে আসানসোলে দলের রাজনৈতিক কর্মসূচীর প্রচারে ডাকা এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের আইন ও শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে মলয় ঘটক রাজ্য সরকারের কাজ ও নিজের বিধানসভা এলাকায় কিভাবে কত মানুষ দলীয় কর্মীদের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন তার তথ্য তুলে ধরেন। মন্ত্রী মলয় ঘটক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমার বিধানসভা আসানসোল উত্তরে আসানসোল পুরনিগমের ৩২ টি ওয়ার্ড আছে ।যেসব ওয়ার্ডে ৫ হাজারের বেশি মানুষ বাস করেন। আমরা এই লক ডাউনে নিয়মিতভাবে তাদের হাতে খাদ্যশস্য পৌঁছে দিয়েছি। এছাড়াও কারোর কোনো অসুবিধার কথা জানতে পেরেছি, তখনই তা আমরা দূর করার চেষ্টা করেছি। অথচ আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রের প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় প্লেনে করে দিল্লি থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কলকাতায় এলেন। কয়েক ঘন্টা প্ররধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘুরে আবার উড়ে চলে গেলেন দিল্লি । আসানসোলের মানুষের দেওয়া ভোটে

জিতে জনপ্রতিনিধি হয়ে তাকে এই মহামারির মধ্যে এখানে একবারও তাদের পাশে থাকতে দেখা গেলো না।
অন্যদিকে, আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার
বিধায়ক তথা আসানসোল দূর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ বা আড্ডার চেয়ারম্যান তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়ও এক সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি রাজ্যজুড়ে কেবল নেতিবাচক রাজনীতি করছে । তাদের আমরা কোথাও কখনো বিপর্যয় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখলাম না। আমি নিজে রানিগঞ্জে কমিউনিটি কিচেন করেছি । সেই সঙ্গে পাঁচটা গ্রাম পঞ্চায়েত ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। যাদের রেশন কার্ড ছিলোনা, তাদের কুপনের মাধ্যমে রেশন দেওয়া হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের নামের তালিকা তৈরি করে তাদের কাজ দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করেছি। কদিন আগেই দেখলাম, যারা দুর্নীতি নিয়ে এত কথাবার্তা বলছেন, সেই বিজেপি দলের এক নেতা রেশন কার্ড দূর্নীতি নিয়ে গ্রেপ্তার পর্যন্ত হলো। বিজেপির নেতা ও কর্মীরা ভূঁয়ো খবর ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে অশান্তি তৈরীর চেষ্টা করেছে। পুলিশ সতর্ক থাকায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের প্রসঙ্গে জবাব দেন তার ঘনিষ্ঠ আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সাংসদ প্রতিনিধি বিজেপি নেতা প্রশান্ত চক্রবর্তী। প্রশান্তবাবু বলেন, সাংসদ দিল্লিতে থাকলেও, তিনি এলাকার নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। আর যেখানে যা প্রয়োজন তা আমরা পাঠানোর ব্যবস্থা করছি

Related Articles

Back to top button
Close