fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

৩ মের পরেও বাড়ছে লকডাউন, গণপরিবহন আপাতত বন্ধই থাকবে’‌, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ৩ মে-র পরও জারি থাকবে লকডাউন। সূত্রের খবর, এ দিন মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে সেরকমই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীকে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিতে দেখা গিয়েছে যে আপাতত করোনা আবহে লকডাউন ওঠানো সম্ভব নয়। এতে দেশজুড়ে সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিনের এই বৈঠকে পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান যে লকডাউন যেন এবার তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু বাকি সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাই লকডাউন বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়াব ওড়িশার মন্ত্রী নব দাস জানিয়েছেন, তাঁরা আরও একমাস রাজ্যে লকডাউন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। আবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরাতে কেন্দ্রকে পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেছেন। পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামী বৈঠকের শেষে দাবি করেছেন, দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রীই সতর্কতার সঙ্গে এগনোর জন্য কেন্দ্রকে পরামর্শ দিয়েছেন। বিজেপি শাসিত অধিকাংশ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী লকডাউন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে সায় দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন নারায়ণস্বামী।

সামাজিক দূরত্ব বিধি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবাইকে পরস্পরের মধ্যে দুই গজ বা ছয় ফুটের দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং সম্ভবত আগামী দিনে মাস্কই হবে জীবনযাপনের অঙ্গ। দেশের গ্রিন জোন বা যেখানে করোনা সংক্রমণ একেবারে নেই এবং অরেঞ্জ জোন, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম সংক্রমণ সেখানে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু নির্দেশ দেন মোদি। তিনি বলেছেন, লকডাউন ধাপে ধাপে তোলার জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে তাদের করোনা সংক্রমিত অঞ্চলগুলোকে রেড, অরেঞ্জ এবং গ্রিন জোনে ভাগ করতে হবে। রেড জোনকে প্রথমে অরেঞ্জ এবং তারপর গ্রিন জোনে রূপান্তরিত করার দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোকে নিতে হবে। বিধিনিষেধ মেনে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলের পক্ষে অনুমতি দিলেও আপাতত গণপরিবহন বন্ধই রাখা হবে। স্কুল, কলেজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আপাতত বন্ধ থাকবে। ধর্মীয় সভা, সমাবেশ বা মিটিং, মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

আরও পড়ুন: লকডাউন: সম্ভবত সপ্তাহের শেষেই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর, অপেক্ষায় গোটা দেশ

সামনের মাস থেকে মাস্ক এবং মুখ ঢাকার বিষয়টি যাতে নাগরিক জীবনের অঙ্গ হয়ে ওঠে সে ব্যাপারেও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। লকডাউনের ফলে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সেই চাকা ঘোরাতে সচেষ্ট কেন্দ্রীয় সরকার দ্বিতীয় দফার লকডাউনে গত ২০ এপ্রিল থেকে শর্তসাপেক্ষে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, ‘আমরা অর্থনীতিতে গুরুত্ব দেব ঠিকই। কিন্তু একই সঙ্গে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘‌দেশ দুটো লকডাউন দেখেছে, যাতে দুরকম প্রভাব রয়েছে। এবার আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনে করোনাভাইরাসের প্রভাব প্রত্যক্ষ হবে।’‌ হটস্পটগুলোতে লকডাউনের কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা কড়াভাবে যাতে পালন হয় রাজ্যগুলোকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলেন মোদি।‌দেশ দুটো লকডাউন দেখেছে, যাতে দুরকম প্রভাব রয়েছে। এবার আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী দিনে করোনাভাইরাসের প্রভাব প্রত্যক্ষ হবে।’‌ হটস্পটগুলোতে লকডাউনের কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা কড়াভাবে যাতে পালন হয় রাজ্যগুলোকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলেন মোদি।

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close