fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

‘রায়ের পরে অযোধ্যায় সুন্দর রাম মন্দিরের কাজ শেষ হওয়ার দিকে তাকিয়ে আছি’: আডবানি

'সত্য ও ন্যায়বিচারের জয়', জোশী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বাবরি মামলায় বেকসুর খালাস হয়েছেন ৩২ জন। রায় শোনার পরই ‘জয় শ্রী রাম’ বলে উঠেছেন বলে জানালেন লালকৃষ্ণ আদবানী।এদিন রায়ের পর আদবানী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পথেই আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল এই রায়। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই দীর্ঘ দিনের রাম মন্দির দেখার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। বলেন, লক্ষ লক্ষ ভারতবাসীর সঙ্গে আমিও এখন শুধু রাম মন্দির সম্পূর্ণ হওয়ার অপেক্ষা করছি। আদবাণীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিত শাহর। ফোন করে শুভেচ্ছা জানান জে পি নাড্ডা। রায়ের পরেই কোর্ট জুড়ে জয় শ্রীরাম ধ্বনি শোনা যায় এদিন।

রাম জন্মভূমি আন্দোলনের নেতা আডবানি বললেন, ‘‌আমাদের সকলের জন্য আনন্দের মুহূর্ত’‌। বিবৃতি দিয়ে তিনি বললেন, ‘‌এই রায় রাম জন্মভূমি আন্দোলনের প্রতি আমার ব্যক্তিগত এবং বিজেপি-র বিশ্বাস ও দায়বদ্ধতা প্রমাণ করল। ২০১৯ সালের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পথেই এল এই রায়, যা আমার কাছে আশীর্বাদ। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করেছে ওই রায়। ৫ আগস্ট তার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপিত হয়েছে।’‌ তিনি আরও বললেন, ‘‌মনেপ্রাণে এই রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি। দেশের কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে আমিও এখন অযোধ্যায় সুন্দর রাম মন্দিরের কাজ শেষ হওয়ার দিকে তাকিয়ে আছি।’‌

মুরলী মনোহর জোশী বলেন, “এটি আদালতের একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। এই রায় প্রমাণ করে যে অযোধ্যায় কোনও ষড়যন্ত্র করা হয়নি। আমাদের প্রোগ্রাম এবং সমাবেশগুলি কোনও ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল না। আমরা খুশি, সবারই এখন রাম মন্দিরের নির্মাণ সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত হওয়া উচিত।”

আরও পড়ুন: রায়দান শেষ হতে আদালত জুড়ে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

বিজেপি নেতা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, “আমি বিশেষ সিবিআই আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছি, আদালত সমস্ত অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছে। এই রায় প্রমাণ করে যে দেরি হলেও বিচার পাওয়া যায়।” উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “আমি রায় স্বাগত জানাচ্ছি। এই রায় প্রমাণ করে যে তত্‍কালীন কংগ্রেস সরকার সাধু, বিজেপি নেতাদের, ভিএইচপি কর্মকর্তাদের ভুয়ো মামলায় অভিযুক্ত করে ভোট ব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য। এই ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ীদের উচিত দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া।”

১৯৯৩ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলায় আরও ৩১ জনের সঙ্গে অভিযুক্ত ছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানী। তাঁর বিরুদ্ধেও মসজিদ ধ্বংসে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ছিল। এদিন আদালতের বিচারপতি বলেন, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা পরিকল্পিত ছিল না। এই মামলায় তাই প্রত্যেকেই বেকসুর খালাস। লখনউয়ের বিশেষ আদালতে ২৮ বছরের পুরনো এই মামলার রায় ছিল বুধবার। আর সেই রায় মুক্তি পেলেন বিজেপি নেতৃত্ব লালকৃষ্ণ আদবানী, মুরলী মনোহর যোশী ও উমা ভারতী সহ ৩২ জন। যদিও এই তিনজন এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। ভিডিও লিংকের মাধ্যমে তাঁরা যোগ দেন।

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার দরুণ আসতে পারেননি উমা ভারতী ও কল্যান সিং। করোনা থেকে সদ্য সেরে ওঠার জন্য আসেননি নৃত্য গোপাল দাসও। বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় যে ৪৯ জন অভিযুক্ত ছিলেন, তার মধ্যে বর্তমানে জীবিত রয়েছেন ৩২ জন। এদের মধ্যে ২৬ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close