fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কাটোয়া শহরের স্কুলগুলির জন্য পাঠানো হল নিম্নমানের ছোলা, বিক্ষোভের ভয়ে বিলি করছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া শহরের স্কুলগুলির পড়ুয়াদের মধ্যে বিতরণ করার জন্য সরকারিভাবে ছোলা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ছোলার মান এতটাই খারাপ যে তা বিতরণ করতে গিয়ে পিছিয়ে আসতে হচ্ছে স্কুলের শিক্ষকদের। কারণ একে ছোলায় পোকা ধরা, তারপর পাথর কুচি ও কাঁকড় মেশানো।  শিক্ষকদের আশঙ্কা ওই ছোলা বিতরণ করলেই অভিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হবে।

এখন ওই ছোলা নিয়ে কি করবেন ভেবে কুল কিনারা পাচ্ছেন না  স্কুলের শিক্ষকরা। জানা গেছে, কাটোয়া শহরে শহরের প্রাথমিক স্কুল সহ মোট ৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার ৯০০। ওই স্কুলগুলির জন্য সরকারিভাবে মোট ৯০ কুইন্ট্যাল ছোলা বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই ছোলা স্কুলগুলিকে হস্তান্তরও করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এযাবৎ পড়ুয়াদের মধ্যে তা বিতরণ করেনি স্কুলগুলো।

কাটোয়া শহরের ঘুটিকিয়াপাড়ার বাউরি পাড়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেবরাজ ঘোষ বলেন, “আমাদের অত্যন্ত নিম্নমানের ছোলা দেওয়া হয়েছে। ওই ছোলা খেলে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। তাই ছোলা বিতরণ করিনি৷ ভাবছি ছোলা পুরসভাকে ফেরত দিয়ে দেব।”

[আরও পড়ুন: ব্যারাকপুরবাসীর সুবিধার্থে সরে যাচ্ছে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালত, ঝাঁ চকচকে নতুন আদালত ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায়]

স্কুলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তাদের যে ছোলা দেওয়া হয়েছে তা শুধু পোকা ধরা কালো রঙেরই নয়, পাশাপাশি কাঁকড়, পাথর কুচি প্রভৃতি নোংরায় ভর্তি। তাদের আশঙ্কা পড়ুয়াদের মধ্যে ওই ছোলা বিতরণ করলে অবিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে। সেই ভয়েই তাঁরা ছোলা বিলি করেননি বলে জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষকরা।

কাটোয়া পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “স্কুলের মিড-ডে মিলের জন্য  ডাল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ডালের পরিবর্তে ছোলা পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু ওই ছোলার মান এতটাই খারাপ যে খাওয়ার অযোগ্য। প্রথমে আমরা ছোলার বস্তা খুলে দেখিনি। পরে বস্তা খোলার পর বিষয়টি নজরে আসে। এনিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে জানাবো।”

 

 

Related Articles

Back to top button
Close