fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

জেলবন্দি বিদেশি তবলিঘি জামাতের কর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়ে মুক্ত করছে মাদানীর জমিয়ত

মোকতার হোসেন মন্ডল: জেলবন্দি বিদেশি তবলিঘ জামাতের কর্মীদের আইনি সহায়তা দিয়ে মুক্ত করছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। সংগঠনটির সর্ব ভারতীয় সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানীর নেতৃত্বে আইনজীবী টিম তৈরি করে আইনি সাহায্য করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আর এই আইনি সহায়তার ফলে উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে ৬৭ বিদেশি তবলিঘিকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। বিভিন্ন বিধি নিষেধ ভঙ্গের দায়ে এদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু ওইসব বিদেশি তবলিগ জামাতের কর্মীদের বেকসুর খালাসের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন জময়িতের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানি।

স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়া শতাব্দী প্রাচীন এই সংগঠনটি বরাবরই আইনি সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন সময় এগিয়ে এসেছে। আসামের এনআরসি নিয়েও তারা আইনি লড়াই লড়ছে। এখন দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজে তবলিগি ইজতেমাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল এবং তার পর যেসব লোকদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের জন্য লিগ্যাল সেল তৈরি করেছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ।

মার্চে অভিযোগ তোলা হয়েছিল মারকাজের তবলিগ জামাতের ইজতেমা বা সভা থেকেই করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে তবলিগি ইজতেমায় অংশ নেওয়া বিদেশি তবলিগিদের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘন করার অভিযোগ ওঠে। যদিও তবলীগ জামাতের মাকার্জের পক্ষ থেকে বলা হয়, লকডাউন ঘোষণার জন্য বিদেশি তবলিঘিরা মারকাজের বাইরে বের হতে পারেননি। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে তারা যে যার দেশে ফিরে যাবেন সেটাই সম্ভব হয়নি লকডাউনের বিধিনিষেধের জন্য।

ফলে, লকডাউন থাকাকালীন অনেকেই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তা ভিসা আইন লঙ্ঘন ও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়ানোর দায়ে পড়ে। তার জেরে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এই ধরনের বিদেশি অনেকেই ছিলেন উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে। লকডাউনেও ওইসব তবলীগ কর্মীদের জন্য আইনি লড়াই করেছে আরশাদ মাদানীর জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ। আর এই আইনি লড়াইয়ের ফলেই ওই সব বিদেশি তবলিগিরি বেকসুর খালাস হতে শুরু করেছেন। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে থাকা ৫৭জন বিদেশি তবলিগিকে আদালত মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত বলেছে, তারা একমাসেরও বেশি সময় ধরে জেল খেটেছে। তাই তাদের আর শাস্তি দেওয়া বা জরিমানা করার প্রয়োজন নেই। জমিয়ত বলছে, তারা বাকিদের জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।

 

 

এদিকে তবলিঘ জামাতের সংগঠনটির কর্মীরা বলছেন, তাদের সভা ছিল ১৫ মার্চের আগে যখন লকডাউন হয়নি এবং দেশের সব প্রতিষ্ঠান, ট্রেন, বিমান, সংসদ চলেছে। তাছাড়া হটাৎ করে লকডাউন করার ফলে অনেকে নিজ নিজ বাড়ি যেতে পারেননি।

Related Articles

Back to top button
Close