fbpx
দেশহেডলাইন

প্রয়াত মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার প্রয়াত হলেন মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। কয়েকদিন ধরে তিনি লখনউয়ের মেদান্ত হাসপাতালে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে ছিলেন। গত ১১ জুন তাঁকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিত্‍সকরা জানান, তাঁর লিভারে ও প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়েছে। তখনকার মতো সেরে উঠলেও ১৬ জুলাই ফের তাঁর অবস্থার অবনতি হয়। তখনই তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়। ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন, তাঁর ফুসফুস, কিডনি আর লিভার ঠিকমতো কাজ করছে না।

মধ্যপ্রদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক চাপানউতরের প্রধান সাক্ষী ছিলেন। প্রায় পাঁচ দশক ধরে সক্রিয় রাজনীতি করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। লালজি ট্যান্ডনের মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা শোকপ্রকাশ করেছেন।

গত কয়েক মাস ধরেই ধরেই বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন লালজি ট্যান্ডন । শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ঠিকমতো কাজ করছিল না। মাসখানেক আগেই লখনউয়ের এক হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে। মঙ্গলবার সেখানেই মৃত্যু হয় এই প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদের। তাঁর ছেলে তথা উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী আশুতোষ ট্যান্ডন নিজেই টুইটারে বাবার মৃত্যুসংবাদ জানিয়েছেন। আজ বিকেল ৫টার সময় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেষকৃত্যের সময় অনুগামীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করেছেন আশুতোষ।

আরও পড়ুন: ঘুষ দিতে চাওয়ার অভিযোগ, ‘আমি দুঃখিত তবে অবাক নই’, পাল্টা তোপ পাইলটের

লালাজি ট্যান্ডন দীর্ঘদিন উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। সেই সাতের দশকে নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। রাজ্যে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার অন্যতম কারিগর। বাজপেয়ীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ১৯৯১ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত একাধিকবার উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী হন। ২০০৯ সালে বাজপেয়ীর ছেড়ে যাওয়া আসন লখনউ থেকে সাংসদ হন তিনি। ২০১৮ সালে বিহারের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেন। একবছর পর ২০১৯ সালে হন মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল। তাঁর আমলেই কমলনাথ সরকারের পতন হয়। সেসময় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও তোলে কংগ্রেস। লালাজির অসুস্থতার পরে মধ্যপ্রদেশের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেলকে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close