fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কৃষি আইনের সমর্থনে উত্তরবঙ্গে ঐতিহাসিক মহামিছিল, নেতৃত্বে মহাদেব সরকার

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস : অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি…জন প্লাবনে ভাসলো দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট শহর। কৃষি সুরক্ষা বিলের সমর্থনে কেঁপে উঠলো রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ভীত। কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায়, বিজেপি সরকারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ কে স্বাগত জানাতে সামিল হলেন জেলার কৃষক, শ্রমিক, ক্ষেতমজুর সহ দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি  আপামর জনতা।কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষায় বিজেপি সরকারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপে উপকৃত হবে তামাম দেশের কৃষক সমাজ।কৃষি ও শিল্পের সহাবস্থানে দেশ এখন অগ্ৰগতির পথে।

 

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের জনমুখী সাহসী পদক্ষেপ, সবকা সাথ, সবকা বিকাশ কর্মসূচি রূপায়ণের মধ্যদিয়ে দেশের কৃষি ও কৃষক সমাজ আর্থিক স্বাধীনতা পেল।দেশের কৃষি ক্ষেত্রে কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর, বিষয়টি উপলব্ধি করেই এই সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের জন মুখী কৃষি বিল শেষপর্যন্ত আইনে পরিণত হওয়ায় মধ্যদিয়ে কৃষিক্ষেত্রে স্বর্ণ যুগের সূচনা হল। কৃষকের অধিকার আদায় সহ সুরক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঐতিহাসিক সাহসী পদক্ষেপে খুশি আপামর দেশবাসী।

      আরও পড়ুন: বিহার নির্বাচন: ৩০-৪০ টি আসনের জন্য নির্বাচনে লড়বে দল, জানাল শিবসেনা

এই বিল সাংসদ কক্ষে (লোকসভা ও রাজ্যসভায়) ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর ই আইনে পরিণত হয়েছে।ফলে এখন আর বিরোধীতা করে শুধুমাত্র লোক হাসানো ছাড়া আর কোন উদ্দেশ্য চরিতার্থ হবে কি?দেশের জনগন এদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রত্যাখ্যান করেছেন, এদের কাছ থেকে দেশবাসীর আর কোন প্রত্যাশাই নেই,এখন শুধু অস্থিত্ব রক্ষার জন্যই লড়াইয়ে সামিল বিরোধীরা।

আর রাজ্যের শাসক তৃনমূল কংগ্রেস! এরা কৃষি আইনের বিরোধিতায় নেমেছে অন্য কারনে,ফড়ে বা মিডিল ম্যান পদটির অবলুপ্তি ঘটায়,আর কাটমানি আমদানি হবেনা,ফলে স্বভাবতই কাটমানি অলঙ্কারে ভূষিত রাজ্যের তৃনমূল কংগ্রেস এখন লুটেপুটে খাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই এই আন্দোলনে পথে নেমেছে বলে অভিযোগ করেন কর্মসূচি রূপায়নের প্রধান কারিগর তথা সুবক্তা বিজেপি কৃষাণ মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার।

 

Related Articles

Back to top button
Close