fbpx
বাংলাদেশহেডলাইন

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে হল মহালয়া ও বিশ্বকর্মা পুজো

যুগশঙ্খ প্রতিবেদন, ঢাকা: বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন, শুভ মহালয়ার আনুষ্ঠানিকতা এবং বিশ্বকর্মা পুজো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেবীপক্ষের আগমণ উপলক্ষে ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীতে মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্দির মেলাঙ্গনে কেন্দ্রীয় পূজামন্ডপে সকাল ৬টায় মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা দাস গাঙ্গুলী।

ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজো কমিটির সভাপতি শ্রী শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদার জানান, সনাতনধর্মাবলম্বী ভক্তদের জন্য ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মহালয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। করোনার কারণে এবারের আয়োজনে বেশকিছু ভিন্নতা আছে। ভক্তদের টেলিভিশনে দেবি আবাহন দেখাতে ব্যবস্থা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এক ঘণ্টার এ আয়োজনে দেবী দুর্গাকে আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ গীতিনাট্য প্রদর্শিত হয়। যেহেতু ৩৫ দিনপর পূজো হবে সেজন্য আমরা আনুষ্ঠানিকতা থাকে জমকালো করার চেষ্টা করেছি। তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রধান পুরোহিত সাধন চক্রবর্তী বলেন, এবার দুর্গা মর্ত্যলোকে আসবেন দোলায় চড়ে। যার অর্থ রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধি। তবে ফেরার পথে দেবীর বাহন গজ বা হাতি। এর অর্থ শস্য-শ্যামলায় পরিপূর্ণ হবে আমাদের এই বসুন্ধরা।

এদিকে মহালয়ার দিনে বিশ^কর্মার পুজোতেও ছিল না জৌলস। বাংলাদেশে মূলত: সূতার-মিস্ত্রিদের মধ্যে এঁর পূজার প্রচলন সর্বাধিক। তবে এবার করোনার কারণে সবকিছুতেই মন্দাভাব থাকায় স্বর্ণকার, কর্মকার এবং দারুশিল্প, স্থাপত্যশিল্প, মৃৎশিল্প প্রভৃতি শিল্পকর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিরাও নিজ নিজ কর্মে দক্ষতা অর্জনের জন্য সীমিত পরিসরে বিশ্বকর্মার পুজো করেছেন। বিশ^কর্মার পুজো উপলক্ষে প্রত্যেকের ঘরে বিশেষ খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা হয় এবং কোথাও কোথাও পূজার পরে ঘুড়ি ওড়ানো হয়।

Related Articles

Back to top button
Close