fbpx
দেশহেডলাইন

মহারাষ্ট্রের পালঘরে রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ২

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বয়লার বিস্ফোরণ। সোমবার সন্ধ্যায় মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার একটি রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে কমপক্ষে  ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও তিন জন। পালঘরের তারাপুর শিল্পাঞ্চলে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। তারাপুর ইন্ড্রাস্টিয়াল এলাকায় অবস্থিত নানদোলিয়া অরগানিক কেমিক্যালস নামে একটি রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ৮–১০ কিলোমিটার দূর থেকেও তার আওয়াজ শোনা গিয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৃত বা আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। কারণ এখনও একজন নিখোঁজ। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল এবং স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিকরা।

জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান স্থানীয় মানুষজন। বাইরে বেরিয়ে দেখতে পান, নিকটবর্তী রাসায়নিক কারখানায় আগুন লেগেছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে সেটি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। তবে ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণ তা এখনও জানা যায়নি।এছাড়া এখনও একজন নিঁখোজ।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল ১৫ কিলোমিটার দূর থেকেও শব্দ শোনা গিয়েছে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে কেঁপে ওঠে আশপাশের কয়েক’টি বাড়ির জানলা-দরজা। মুম্বই থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে এই পালঘর জেলা। সেই জেলার বইসারের কোলবাদের এক নির্মীয়মাণ কারখানায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। রাতেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দমকলের কর্মীরা। একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে কারাখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে। ঘটনাস্থলে মহারাষ্ট্র পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা রয়েছেন। কী করে রিঅ্যাকটরে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধারকাজ শেষ হলেই এ নিয়ে তদন্ত শুরু হবে।

আরও পড়ুন: কতটা ভারতীয় কমলা হ্যারিস…

এর আগে গত বছর অগস্টের শেষ দিকে মহারাষ্ট্রের আর এক রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল ধুলে রাসায়নিক কারখানায়। বিস্ফোরণে ২০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি অন্তত পক্ষে আরও ১৫ জন আহত হন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। বিস্ফোরণের জেরে কারখানার ভিতরে আটকে পড়েছিলেন ৮০ জন শ্রমিক। বিস্ফোরণের জেরে কারখানা থেকে ছড়িয়ে পড়া রাসায়নিক গ্যাসে শ্রমিকরা ছাড়াও আশপাশের অঞ্চলের মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন গিয়ে কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Related Articles

Back to top button
Close