fbpx
দেশহেডলাইন

দুই রাজ্যে নিষিদ্ধ পতঞ্জলির ‘করোনিল’

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  মহারাষ্ট্র এবং রাজস্থানে পতঞ্জলির করোনিলের বিক্রি বন্ধ করল। এই দুই রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলি যতদিন না প্রমাণ করতে পারবে, এই ওষুধে করোনার প্রতিকার হয়, ততদিন এই দুই রাজ্যে ওষুধটি বিক্রি করা যাবে না। মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ জানিয়ে দিয়েছেন, জয়পুরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে আগে এই ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। তাঁর আগে মহারাষ্ট্রে এই ওষুধ বিক্রি করা যাবে না। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজস্থান সরকার। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, আয়ুশ মন্ত্রকের অনুমতি ছাড়া কোনওভাবেই রাজস্থানে ‘করোনিল’কে ‘ওষুধ’ হিসেবে বিক্রি করা যাবে না।

রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারের আবার দাবি, করোনার ওষুধ বিক্রির নামে প্রতারণা করছেন যোগগুরু। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করারও পরিকল্পনা করেছে অশোক গেহলটের সরকার। আয়ুর্বেদিক উপায়ে করোনার ওষুধ তৈরির দাবি করে রীতিমতো হুলুস্থুল ফেলে দিয়েছিল বাবা রামদেব এবং আচার্য বালাকৃষ্ণণের সংস্থা পতঞ্জলি ।

আরও পড়ুন: দিল্লি, মুম্বইতে করোনার জন্য দূষণকেই দায়ী করলেন বিশেষজ্ঞরা

রামদেব যে দাবি করেছিলেন করোনিলের প্রয়োগের ফলে ৭ দিনের মধ্যে করোনা রোগীরা সুস্থ হয়ে যাবেন , তা সারবত্তাহীন। কেন্দ্রীয় আয়ুশমন্ত্রক ইতিমধ্যেই রামদেবের সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছে যতদিন না এই করোনিল করোনা চিকিৎসার সব গাইডলাইন পার হচ্ছে, ততদিন একে ‘করোনার’ ওষুধ বলে বিক্রি করা যাবে না। রামদেবকে বড় ধাক্কা দিয়েছে উত্তরাখণ্ড সরকারও। উত্তরাখণ্ডের আয়ুর্বেদ বিভাগ জানিয়ে দিয়েছে, করোনা চিকিৎসায় ওষুধ ব্যবহারের কোনও লাইসেন্সই নেয়নি পতঞ্জলি। তাঁরা জ্বর এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বর্ধক ওষুধ তৈরির অনুমতি চেয়েছিল।

 

Related Articles

Back to top button
Close