fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নদীয়ায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি হলেন মহুয়া মৈত্র

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর : অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান, গোষ্ঠী বিবাদে জর্জরিত নদীয়া জেলাকে ঢেলে সাজাতে একজন দক্ষ, পরিচ্ছন্ন এবং গ্ৰহনযোগ্য মুখ খুব জরুরি ছিল। তৃনমূল নেতৃত্বের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে খুশি জেলার নতুন প্রজন্মের নেতা, কর্মী সহ সমর্থকেরা। তাদের প্রত্যেকেরই অভিমত, এবার দলের অভ্যন্তরে দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক বাতাবরণ তৈরি করা সম্ভব হবে। মানুষ আবার তৃণমূল দলটির উপর আস্থা ফিরে পাবে। সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে একক ভাবে সম্পূর্ণ নদীয়া জেলার সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ায় স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারবেন এই নব নির্বাচিত সভাপতি।

দলের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমনে অনেক আগেই সবর হয়েছেন মহুয়া দেবী।এখন আর কোনও প্রতিবন্ধকতা রইল না। দুর্নীতিবাজদের দল থেকে বের করে দিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ ঘুন ধরা সব খোলনলচে পাল্টে ফেলে পরিবর্তনের ডাক, শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২০২১ এর প্রার্থী নির্বাচনে এবার পাটিগণিত-বীজগনিতের অংক ও পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে অভিমত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। নতুন প্রজন্মের প্রতি বরাবরই আগ্ৰহ মহুয়া মৈত্রের ফলে চিন্তার ভাঁজ পরল ইদানিং যারা স্বঘোষিত ভাবনায় দিবা স্বপ্ন দেখছিলেন,আসন্ন ২০২১ এর বিধানসভায় দলের প্রার্থী পদ পেয়ে যাচ্ছেন বলে।

এত দিন নদীয়া জেলাকে সাংগঠনিক ভাবে দুটো ভাগে ভাগ করা ছিল নদীয়া উত্তর অর্থাৎ কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা এবং নদীয়া দক্ষিণ, রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা। সকলের ই ডানা ছেঁটে একটি পদ সৃষ্টি করে একক ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হল মহুয়া মৈত্রকে। ডানা ছাঁটা হল, বিধায়ক গৌরীশংকর দত্ত সহ বিধায়ক শংকর সিং দের। নতুন কমিটি তে যারা এলেন, চেয়ারম্যান বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস, সভাপতি সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কোঅর্ডিনেটর-১ নাসির উদ্দিন আহমেদ, কোঅর্ডিনেটর-২ দীপক বসু, কোঅর্ডিনেটর-৩ আলীর রঞ্জন বিশ্বাস।

Related Articles

Back to top button
Close