fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় প্রকাশ্য রাস্তায় লরির ধাক্কায় মৃত্যু প্রৌঢ়ের

মিল্টন পাল, মালদা: করোনা সংক্রমনের জেরে মুখ থুবরে পড়েছে রাজ্য সরকারের সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ। আর যার সুযোগ নিয়ে বেপরোয়া কখনো লরি আবার কখনও তরুন তুরকিদের বাইক। বেসামাল পুলিশ প্রশাসন। এমনি মালদা শহরের ব্যস্তবহুল মনস্কামনা রোড এলাকায় লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। মঙ্গলবার দুপুরে এই দুর্ঘটনার পর এলাকার বাসিন্দারা ঘাতক গাড়িটিকে ঘেরাও করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় লরির চালক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। যদিও মৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় জানতে পারেনি তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছেন,মনস্কামনা রোড এলাকায় রাস্তার ধারে সর্বত্রই বালি,পাথর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যার জন্য এদিন একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই পথচারীকে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। তবে মৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। এদিকে শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মনস্কামনা রোডে ভর দুপুরে লরির ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ইংরেজবাজার পুরসভার উদ্যোগে মনস্কামনা রোড এলাকায় একটি কালভার্ট তৈরির কাজ চলছে। যার জেরে রাস্তার ধারে বালি , পাথর পড়ে রয়েছে। এজন্যই মাঝে মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিপাকে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের।

ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা বিশাল সাহা জানান, একদিকে লকডাউন অন্যদিকে মাসের-পর মাস ব্যস্ততম রাস্তায় ইট বালি পাথর ফেলে রেখে পুরসভা নির্দ্বিধায় কাজ করছে। যার ফলে প্রতিদিনই প্রকাশ্যেই অনেক মানুষ ক্ষতির শিকার হচ্ছে। তার ওপর চলছে লকডাউন আর যার জেরে বেপরোয়া ভাবে বাইক চলাচল করছে। কয়েকদিন আগেই রাতের অন্ধকারে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় দুই আরোহীর মৃত্যু হয়েছিল অথচ পুলিশ শীত ঘুমে রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কোনঅন ব্যবস্থা নেয় না যার ফলে এই দৌরাত্ম্য বাড়ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , মৃত ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায় নি।দুর্ঘটনার পর লরি চালক পলাতক। লরিটি আটক করা হয়েছে। ঘাতক লরি চালকের খোঁজ চালানোর পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close