fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

মিল্টন পাল, মালদা: মালদায় ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে জেলা পরিষদের দুই সদস্য নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি জেলার দুই বেসরকারী হাসপাতালকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে মালদা শহরের ফোয়ারা মোড়ের করোনা আক্রান্ত বিক্রেতার হাতে ঘুগনি, মুড়ি, চপ খেয়ে গত তিনদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৫০ জন। যাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন মালদা শহরে চিত্তরঞ্জন মার্কেট এলাকার বিভিন্ন দোকানের কর্মী ক্রেতা-বিক্রেতা। চিত্তরঞ্জন বাজার সংলগ্ন এলাকাতেই রয়েছে ফোয়ারা মোড়ের ওই চপ, ঘুগনির দোকানটি। প্রত্যহ বিকালে ওই বাজারের অনেকেই টিফিন করার জন্য এই দোকান থেকেই চপ, মুড়ি, ঘুগনি খেয়েছিলেন। যার কারণেই, এই ভাবেই করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই অনুমান করছে প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা।

সোমবার স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মালদা জেলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ জন। যাদের মধ্যে মালদা জেলা পরিষদের বেশ কয়েকজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন। পাশাপাশি কালিয়াচক থানার আইসি আশিস দাস সহ আরও এক পুলিশ কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এইনিয়ে মালদায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ পেরিয়ে গিয়েছে। সোমবার বিকেলে করোনায় গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা করেই তড়িঘড়ি রুদ্ধদ্বার একটি বৈঠক করেছে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা।

[আরও পড়ুন- শিলিগুড়িতে এসইউসিআইয়ের মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার]

মালদা জেলা পরিষদের তৃণমূল দলের নির্বাচিত দুই সদস্য সহ বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত তিনদিনের মধ্যে মালদা শহরে ৫০ জনেরও বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের অধিকাংশই ফোয়ারা মোড়ের আক্রান্ত এক বিক্রেতার দোকান থেকেই মুড়ি , ঘুগনি, চপ খেয়েছিলেন। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে ওই চপ বিক্রেতাকে কোভিড-১৯ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

আরও জানা গিয়েছে, ওই সব কর্মীরা বিকেলের টিফিন হিসেবে ফোয়ারা মোড়ের সেই চপ বিক্রেতার কাছ থেকেই মুড়ি, ঘুগনি খেয়েছিলেন। এরপরেও ওই দোকানের কর্মীরা তাদের কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছেন। যার ফলে সংক্রমণ আরও ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কাও করছেন প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। সোমবার স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আক্রান্ত ৩৬ জনের মধ্যে ইংরেজবাজার শহরেই ১২ জন রয়েছেন। মালদার ইংরেজবাজার শহরের করোনা সংক্রমণ বেড়ে যায় রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর। এইনিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করেন প্রশাসনের কর্তারা।

রবিবার মালদা শহরের রাজাবাগান এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি হাসপাতাল  বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর।  স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই বেসরকারী হাসপাতালের  এক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close