fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো শতাধিক

মিল্টন পাল,মালদা: করোনা সংক্রমণ হুহু করে বাড়ছে জেলায়। ইতিমধ্যেই সরকারি মতে মালদায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮। বেসরকারি মতে তা ১০০ ছড়িয়েছে। ফলে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখে মালদা জেলা। এক কথায় আগুনের গোলার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে জেলা। রবিবার মালদা শহরের কালিতলার নিজস্ব কার্যালয় অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করে এই কথা বলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণ নারায়ণ চৌধুরী।

কৃষ্ণেন্দুবাবু বলেন, করোনা মোকাবিলায় আমেরিকা, ফ্রান্স সহ বিভিন্ন দেশগুলি মুখ থুবড়ে পড়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই মালদারও সেই পরিণতি হবে। করোনা মোকাবিলা করা সরকারের পক্ষে একা সম্ভব না, মানুষকে সচেতন হতে হবে। উৎসবমুখি হলে মানুষ সব ভুলে যাই আর ক্ষতি হয় ছোট এবং বয়স্কদের।

কৃষ্ণেন্দুবাবু এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, বিভিন্ন রাজ্য থেকে যারা মালদা এসেছেন তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তাদের লালারস পরীক্ষা করে রিপোর্ট আসার পর জানা যাচ্ছে কারো পজেটিভ কারো নেগেটিভ। কিন্তু যারা বিভিন্নভাবে মালদায় এসেছেন তারা কোন রকম পরীক্ষা না করেই অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে সংক্রমণের ভয় থেকেই যাচ্ছে।
বর্তমানে দাঁড়িয়ে মালদা শহরকে দেখে মনে হচ্ছে উৎসব চলছে। এখনও সচেতন নয় মানুষ। খোলা রয়েছে একাধিক শপিংমল। মালদার মানুষ এখন সচেতন না হলে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চলেছে।

কারণ মালদা জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এখনো এতটা উন্নত নয়। তাই পুলিশ প্রশাসন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের এই করোনা যুদ্ধে শামিল হওয়ার জন্য আবেদন জানান কৃষ্ণেন্দুবাবু।এতে করোনা মোকাবিলা করা কিছুটা হলেই সমাধান করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে এই বিষয়ে উত্তর মালদা বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু জানান, রাজ্য সরকারের যেভাবে এতদিন সঠিক তথ্য লুকিয়ে রেখে কাজ করছিল আজকে তারই প্রমাণ দিনে দিনে যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্য তথা মালদা জেলাতে বাড়ছে তাতে আগামী দিনে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলোতে বেহাল অবস্থায় তাদেরকে রাখা হচ্ছে। তাদের ঠিকমত পরীক্ষা করা হচ্ছে না খাবার ও ঠিক মতন দেওয়া হচ্ছে না। তার মধ্যে আবার লকডাউন উঠিয়ে দিয়ে সমস্ত বাজার খুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যদি সচেতন না হয় তাহলে করোনা ভয়ঙ্কর আকার নেবে।ধীরে ধীরে গোষ্ঠী সংঘর্ষে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে।

Related Articles

Back to top button
Close