fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় পরিবহন কর্মীদের সমস্যা নিয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে স্মারক দিল বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউ

মিল্টন পাল,মালদা,১৮মে: করোনা সংক্রমনের জেরে প্রায় দুই মাস ধরে বাস চলাচল বন্ধ। এরই মধ্যে সরকারী নির্দেশ বিশেষ বিশেষ জায়গায় বাস চলাচলের ক্ষেত্রে ছাড়া দেওয়া হচ্ছে। কিন্তুু ২০ বেশী যাত্রী নিয়ে চলবে না বাস। আর তাতেই অসুবিধায় পরেছে বাস মালিকেরা। সরকারী বেসরকারি কর্মচারী সমস্যার কথা মাথায় রেখে ৯ দফা দাবি নিয়ে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন কর্মসুচি পালন করা হয় জেলা প্রশাসনিক ভবনে। ব্যানার প্লাকাড নিয়ে মৌন বিক্ষোভ দেখায় বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউ। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম সহ অন্যান্য সদস্যরা।

ইতিমধ্যে লকডাউনের জেরে বন্ধ বাস চলাচল। আর যার ফলে রাজ্যের সাথে মালদা জেলার সমস্ত রুটের বাস বন্ধ। রুজি রোজগারহীন হয়ে পড়েছে পরিবহনের সাথে যুক্ত প্রায় ৬০হাজার কর্মী। সম্প্রতি বিশেষ বিশেষ জায়গায় সরকারী ও বেসরকারি বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভাড়া বৃদ্ধি না করে। আর এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাস মালিকেরা। যদিও মালিকরা বাসের খরচ,যাত্রীদের সঙ্গে বিবাদ ও নিরাপত্তার পাওয়া যাবে না বলে বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাস মালিক মনোরঞ্জন সিকদার জানান,২০জন করে যাত্রী নিয়ে বাস চালালে খরচ উঠবে না। পাশাপাশি ভাড়া বেশি নেওয়া হলে যখন তখন যাত্রীদের সঙ্গে বচসা হবে। কোন নিরাপত্তা পাওয়া যাবে না। এই পরিস্থিতিতে আমরা বাস চালাবো না। পাশাপাশি এদিন ৯দফা দাবি নিয়ে বামপন্থী শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউর পক্ষ থেকে জেলা আর টিওর কাছে স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

করোনা মোকাবিলায় পরিবহন কর্মীদের নিরাপত্তা,ছোট গাড়ি চালানোর স্বাস্থ্য সন্মত ভাবে অনুমতি দেওয়া,পরিবহন কর্মীদের স্বাস্থ সুরক্ষা ও শ্রমিকদের পাঁচ লক্ষ টাকা ও মৃত্যু জনিত বিষয়ে ১৫লক্ষ টাকার দাবি করা হয়। এই নিয়ে জেলা প্রশাসনিক ভবনে ব্যানার প্লাকার্ড নিয়ে মৌন বিক্ষোভ দেখানো হয়। এরপর প্রশাসনের হাতে দাবিপত্র তুলে দেওয়া হয়।

সি আই টি ইউ নেতা নরুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরিবহন কর্মীদের,পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা নিয়ে ৯ দফা দাবি নিয়ে আর টিওর মাধ্যমে স্মারকলিপি জমা দিচ্ছি।

সরকারি- বেসরকারি কর্মীরা করোনা মোকাবেলার কাজের সঙ্গে যুক্ত। তারা যদি আক্রন্ত হয় তাদের জন্য নুন্যতম পাঁচ লক্ষ টাকা এবং মৃত্যুর জনিত কারনে ১৫ লক্ষ টাকা আমরা দাবি করছি। পাশাপাশি যারা ছোট গাড়ি ও বড় গাড়িতে করে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে যাচ্ছে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে যারা বিভিন্ন জেলায় আটকে রয়েছেন তাদেরকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছোটো গাড়ি চালানোর অনুমতি দিয়ে ঘরে ফেরাতে হবে। মালদায় ছোট গাড়ি ও বড় গাড়ি মিলিয়ে মোট ৬০ থেকে ৬৫ হাজার শ্রমিক পরিবহন কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close