fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় ব‍্যাপক নদী ভাঙ্গন, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

মিল্টন পাল, মালদা: মালদার কালিয়াচক ২ ব্লকের অন্তর্গত মোথাবাড়ি থানার পঞ্চনন্দপুর এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙ্গন। ওই এলাকায় গঙ্গার ভাঙ্গনে প্রায় ১০০ মিটার নদী বাঁধের অংশজুড়ে এদিন ভাঙ্গন হয়েছে। যার কারণে শতাধিক পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গ্রাম থেকে নদীর দূরত্ব মাত্র ৩০ মিটার। গ্রামের এত কাছে গঙ্গার জল চলে আসায় আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা নতুন আশ্রয়ের খোঁজ শুরু করেছেন। এদিন পঞ্চনন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সকুল্লাপুরে গঙ্গার ভাঙ্গন হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকার রিং বাঁধ থেকে গঙ্গার দূরত্ব মাত্র ৩০ মিটার। যদিও পুরো বিষয়টির সেচ দপ্তর নজরে রেখেছে।

কালিয়াচক-‌২ নম্বর ব্লকের বাঙিটোলা এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে ভাঙ্গন হলেও রবি ও সোমবার এই ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। গঙ্গা এখানে ‘‌ইউ’‌ আকার ধারণ করে ৪০-‌৫০ ফিট লোকালয়ের দিকে সরে এসেছে। গঙ্গার ধার বরাবর ১৫-‌২০ বিঘা জমি গঙ্গাগর্ভে তলিয়ে গেছে। এখন বাঁধের কাছাকাছি গঙ্গা। গঙ্গার তীরবর্তী পঞ্চনন্দপুর এবং বাঙিটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েক হাজার পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

২০০৩ এর ব্যাপক ভাঙ্গনের পর খুব বড় ধরনের ভাঙ্গনের ঘটনা ঘটেনি এই এলাকায় বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা। সেই সময় মূলত পঞ্চনন্দপুরের পাঁচকুড়িটোলা, খাসমহাল, গোলকটোলা, দড়িদিয়ারা, গৌড়পাড়া, কামালতিপুর-‌সহ ১৫টি গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। সেই হিসেবে কেবি ঝাউবোনা গ্রাম পঞ্চায়েতটিই পুরোপুরি তলিয়ে যায়।

বাঙ্গিটোলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সানতারা খাতুন জানিয়েছেন, ‘‌দু’‌দিন ধরে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতদিন আমরা নিশ্চিন্তে ছিলাম। এবার নতুন করে আতঙ্ক শুরু হল। আমি বিষয়টি বিডিও কে জানিয়েছি।’‌

সেচ দপ্তরের মালদার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রণব কুমার সামন্ত জানিয়েছেন, মানিকচক থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে অল্প ভাঙ্গন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের প্রতিটি পয়েন্টের ওপর নজর আছে। এদিনের ভাঙ্গনের খবর পাওয়ার পর এলাকায় ইঞ্জিনিয়ারেরা গিয়েছেন।

Related Articles

Back to top button
Close