fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পরিযায়ী শ্রমিকদের খাদ্যের কুপন বিলি করাকে কেন্দ্র করে উত্তাল মালদা

মিল্টন পাল, মালদা: পরিযায়ী  শ্রমিকদের খাদ্যের কুপন বিলি করাকে কেন্দ্র করে উত্তাল অঞ্চল অফিস। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ আসলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার মালদার মানিকচকের ধরমপুর অঞ্চল। ফুড কুপন বিলি কে কেন্দ্র করে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভে চরম উত্তেজনা।পঞ্চায়েত অফিস চত্বর দখল করার চেষ্টা পরিযায়ী শ্রমিকদের।পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ অনুযায়ী শ্রমিকদের।
জানা গিয়েছে, সোমবার খাদ্য সামগ্রীর কুপনের দাবিতে পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে পরিযায়ী শ্রমিকরা জমা হতে থাকে।পরিযায়ী শ্রমিকদের দাবি ধরমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মাত্র ৩৫০ জন পরিযায়ী শ্রমিকের নামে খাদ্য সমগ্রীর কুপন দেওয়া হয়।পরিযায়ী শ্রমিক আলমগীর শেখের অভিযোগ করোনা আবহে তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ।করোনা সংক্রমনের ভয়ে  কাজের জন্য তারা ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে পারছেন না। এলাকায় ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ স্তব্ধ । পরিবারের মুখে দুমুঠো অন্ন জোগাতে তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা ।প্রত্যেক পরিযায়ী শ্রমিককে ৩০ কেজি চাল ও ২কেজি ছোলা দেওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ফুড কুপন না পাওয়ায় তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাদের অভিযোগ বারবার প্রধানের কাছে ফুড।
কুপনের দাবি জানালেও কর্ণপাত করছে না প্রধান। বারবার তাদের পঞ্চায়েত অফিস থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তাদের আরো অভিযোগ পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে এলে পুলিশ তাদের সেখান থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দিচ্ছে।পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। তবে প্রধানের দাবি দপ্তরে পরিযায়ী শ্রমিক দের তালিকা দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত ফুড কুপন রুজু করেনি দপ্তর।অবিলম্বে সমস্ত শ্রমিকদের খাদ্য সমগ্রী দিতে হবে। গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান নাহারুল শেখ বলেন,হোম কোয়ারিন্টিনে ছিল তারা কুপন পাইনি। তাদের তালিকা তৈরী করে বিডিওকে দেওয়া হয়েছে। বিডিওর কাছ থেকে কুপন আসলেই দেওয়া হবে।
জেলা বিজেপি সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন,যেখানে যেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত আছে সেখানে সেখানে দুর্নীতি হচ্ছে। প্রকৃত পরিযায়ী শ্রমিকের খাদ্য সামগ্রী পাচ্ছে না। যদি তারা খাদ্য সামগ্রী না পায় তাহলে তাদেরকে নিয়ে বিজেপি আন্দোলনে নামবে।
জেলা তৃণমূলের কোঅডিনেটর দুলাল সরকার বলেন,বিক্ষোভ হয়েছে। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে। ওখানে পরিযায়ী শ্রমিকদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। বিজেপি ঘরে বসে মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকারে সবাই খাদ্য সামগ্রী পাবে।

Related Articles

Back to top button
Close