fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘আর নয় অন্যায়’ এই বার্তাকে সামনে রেখে গ্রামে গ্রামে ঘুরলেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : “আর নয় অন্যায়” এই বার্তাকে সামনে রেখে ধুলোপথে গ্রামে গ্রামে ঘুরলেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। একদিকে প্রাতঃভ্রমণ, আর অন্যদিকে জনসংযোগ, সেইসাথে চলমান সরকারের অন্যায় অত্যাচার, স্বজনপোষণ, দুর্নীতি ও জঙ্গলরাজের বিরুদ্ধে গাঁয়ের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনায় মেতে উঠলেন তিনি। এহেন উদ্দেশ্যের ত্রহ্যস্পর্ষে আয়োজিত চা চক্রে শহীদ মাতঙ্গিনী মণ্ডল ১ গর্জে উঠলো অন্যভাবে। সাধারণ চায়ের চুমুকে বর্তমান বর্বরতম সরকারের নানা কীর্তি সরাসরি শুনলেন গ্রামের ধুলোবালিছাই মাখা গরিব থেকে ধনীদের মুখে।

প্রথমেই হাঁটতে হাঁটতে সাংসদ খগেন মুর্মু হাজির বাঁশদা রথতলায়। সঙ্গে তখন প্রায় ৬০ জন বিজেপি কর্মী। সেখানে গ্রামের ছেলে বুড়ো মহিলাদের সঙ্গে চললো ভাববিনিময়, ভাষাবিনিময় এবং ভালোবাসা বিনিময়। এক কথায় জমিয়ে আড্ডা! আপ্লুত জনগণ চোখের সামনে সাংসদকে পেয়ে উগরে দিলেন ক্ষোভ। তৃণমূলের নানা অনাচার, অত্যাচার এবং এখানকার বাসিন্দা হিসেবে অনেক চাওয়া ও পাওয়া না পাওয়ার মনের জমানো ক্ষোভ তুলে ধরেন সাংসদের কাছে।

সাংসদের সাথে পা মেলান শহীদ মাতঙ্গিনী মণ্ডল ১ এর ৫ নং শক্তিকেন্দ্রের প্রমুখ নবীন দাস। এছাড়া ছিলেন মহুয়া মণ্ডল, সুতপা মাইতি, সুকান্ত ভৌমিক, আল্পনা রাউৎ, গৌরহরি আচার, বরুণ সামন্ত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। বাঁশদার পরে তাঁরা হাঁটতে হাঁটতে যান বরনান শীতলা মন্দির প্রাঙ্গনে। সেখানেও চলে নিবিড় জনসংযোগ। বহু মানুষ জড়ো হয়ে যান। এখান থেকে ফের বুড়াইৎ হয়ে রামচন্দ্রপুর বাজারে গিয়ে চা চক্রে মিলিত হন সকলে।

তৃণমূলের নেতাদের কাটমানি খাওয়ার গল্প থেকে এলাকার উন্নয়নের নামে বোকা বানানোর ফায়দা হাসিলের কাহিনী উঠে আসে চা চক্রের ঘরোয়া এই আলোচনায়। সাধারণ মানুষই সাবলীলভাবে নির্ভয়ে তুলে ধরেন সেসব। আসন্ন নির্বাচনে এইসব কুকীর্তির সম্যক জবাব দেওয়ার জন্য যে সকলে মুখিয়ে – এটা জানাতে ভোলেননি বরনান, রামচন্দ্রপুর, বুড়াইৎ, বাঁশদার খেটে খাওয়া নির্ভেজাল সাধারণ মানুষজন।

Related Articles

Back to top button
Close