fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় নিজের বিয়ে নিজেই রুখে দিল নাবালিকা

মিল্টন পাল, মালদা: বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হতে নাবালিকা মেয়ে নিজের বিয়ে রুখে দিল জেলা পুলিশ ও চাইল্ড লাইনের সহযোগিতায়। ঘটনাটি মালদার ইংরেজবাজার থানার কাজিগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুর এলাকায়। ঘটনায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দিয়েছে। জেলা পুলিশের সহযোগিতায় ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চাইল্ড লাইন।

পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, মেয়েটির বয়স ১৭। বাড়ি ইংরেজবাজার থানার লক্ষীপুর এলাকায়।সে শহরের এক স্কুলের দশম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। ২০২০সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষার পর লক ডাউনের কারনে বাড়িতেই ছিল। সম্প্রতি ইংরেজবাজারের এক গ্রাম থেকে মেয়ের সম্বন্ধ আসে। সেইমতো দিন কয়েক আগেই মেয়েকে ছেলে পরিবারের পক্ষ থেকে দেখতে আসেন। সেখানেই দুই পরিবারের মধ্যে বিবাহের পাকা কথা চলছিল। মেয়ের বিয়ে নিয়ে সম্প্রতি তোড়জোড় শুরু করে মেয়ের বাবা ও পরিবারের সদস্যরা।

যদিও গ্রাম সূত্রে খবর, রবিবারের দিন তাদের বিবাহের কথা ছিল। ঘটনা জানতে পেরে নাবালিকা মেয়ে জেলা পুলিশ প্রশাসনকে সমস্ত ঘটনা ফোন মারফৎ জানায়। এরপরই রবিবার জেলা পুলিশ প্রশাসন ও চাইল্ড লাইনের কর্মীরা ওই বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছে সমস্ত ঘটনা জানতে পারে।এরপরই জেলা পুলিশ প্রশাসন মেয়েটিকে উদ্ধার করে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেয়।

আরও পড়ুন: আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 

ওই নাবালিকা মেয়ের বাবা জানান, আমাদেরকে না জানিয়ে মেয়েটিকে বাড়িতে হঠাৎ করে দেখতে এসেছিল। তাই তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে বিয়ে নিয়ে সেরকম কোনো কথাবার্তা হয়নি। আমরা বিয়ে দিতে চাইনি। আমরা চাই মেয়েটি এখন পড়াশোনা করুক। যদিও খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ এসে মেয়েকে নিয়ে গিয়েছে। সরকারের নির্দেশ রয়েছে সেই নির্দেশ আমরা মেনে চলবো।

মালদা জেলা শিশু সুরক্ষা কমিটির চেয়ারপারসন চৈতালি ঘোষ সরকার জানান, খবর জানতে চাইলেন খবর দেয়া হলে সেখানে আমরা যাই। মেয়েটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে সে আমাদের রুমে থাকবে। কয়েকদিন থাকার পর তার কাউন্সিলিং করা হবে। মেয়েটির কাছ থেকে সমস্ত ঘটনা জেনে তারপরে তদন্ত শুরু করা হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাহাবাদ নাবালিকা বিবাহের কথা শুনে আমরা ওই মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে। ইতিমধ্যেই মেয়েটিকে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close