fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মালদায় ছাত্রী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই যুবক

মিল্টন পাল,মালদা: সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাত মাসের প্রেম। আর এরপর লাগাতার বিয়ের প্রতিশ্রতি দিয়ে সহবাস। আর এরপরই নিখোঁজ ছাত্রীর পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার। ঘটনার দুই দিনের মধ্যে তদন্তে নেমে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ প্রেমিক সহ দুইজনকে গ্রেফতার করল। ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,ধৃত দুই জনের নাম শাহাবুল হক এবং শামীম আখতার । তাদের বাড়ি চাঁচোল থানার ধানগড়া এলাকায়। মৃত ছাত্রীর নাম মেহেরুন খাতুন (১৭)। তার বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রাঙাইপুর গ্রামে। বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে আলঙগী গ্রামের কাছে ওই ছাত্রীর মাটি খুঁড়ে পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। মৃত ছাত্রী স্থানীয় একটি হাইস্কুলের দশম শ্রেণীতে পাঠরত ছিল।

উল্লেখ্য, বুধবার সকালে হরিশ্চন্দ্রপুর আলঙগী এলাকার ধানের জমিতে গর্ত করার সময় একটি হাত বেরিয়ে থাকতে দেখেন চাষিরা। শনাক্ত করার পর জানা যায় মৃত দেহটি দশম শ্রেণির ছাত্রী মেহেরুন খাতুনের। পুলিশ সূত্রে খবর, মুখ থেঁতলে খুন করার পরে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে তার দেহ পুঁতে দেওয়া হয়েছিল। মৃত দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মেহেরুনের মোবাইলের সূত্র ধরে দুই যুবকের খোঁজ পায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে,গত তিন মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমেই মেহেরুন খাতুনের সঙ্গে পরিচয় হয় শাহাবুল হকের। এরপরই তাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই যুবক পুলিশকে জানায় যে, প্রেমঘটিত কারণেই শাহাবুল ও তার পিসতুতো দাদা শামীম আখতার দুজনে মিলে শ্বাসরোধ করে খুন করার পরে মেহেরুন খাতুনকে মাটিতে পুঁতে ফেলে।

চাঁচলের এসডিপিও সজল কান্তি বিশ্বাস জানিয়েছেন, ধৃত দুই যুবককে চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে তাদের সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close