fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফের লকডাউনের আওতায় আসতে চলেছে মালদার গাজোল, সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

মিল্টন পাল, মালদা: জেলার ব্লকগুলিতেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। জেলার দুই পৌরসভা ও কালিয়াচকের পর এবার নতুন করে লকডাউন হতে চলেছে গাজোল থানা এলাকায়। বেশ কয়েক দিনের মধ্যে গাজোলে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার থেকে গাজোল থানা এলাকা পুরোপুরি লকডাউন করা হবে বলেও প্রশাসন সূত্র জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার রাতে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মালদায় ফের নতুন করে ৮৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের অধিকাংশই রয়েছে রতুয়া থানা এলাকার। এছাড়াও ইংরেজবাজার, পুরাতন মালদা, গাজোল, কালিয়াচক থানা এলাকার অনেকেই রয়েছেন করোনা আক্রান্ত। আক্রান্তদের আপাতত হোম আইসোলেশন থেকেই চিকিৎসা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে। এখনও পর্যন্ত মালদা জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০ ছাড়িয়ে গেল।

আরও পড়ুন:হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে লটারির পুরস্কারের টোপ, যেতে হল হাজতবাসে

শনিবার গাজোলে নতুন করে লকডাউন চালু করার বিষয়টি নিয়ে ব্লক প্রশাসনের কর্তারা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। গাজোলে সকাল ১০ টা পর্যন্ত সবজির বাজার এবং দুপুর ২টা পর্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন গাজোলে নতুন করে লকডাউন পরিস্থিতি চালু করা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিডিও উষ্ণতা মোক্তান, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন, সহ-সভাপতি জয়ন্ত ঘোষ, গাজোল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক হারাধন দেব, জয়েন বিডিও সন্দীপন দে, ব্যবসায়ী সমিতি, ছোট বড় পরিবহন সংস্থার কর্মকর্তারা।
ইংরেজবাজার, পুরাতন মালদা এবং কালিয়াচক থানা এলাকায় গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন।

আরও পড়ুন:দেশবিরোধী শক্তি আজ আস্তানা গেড়েছে বাংলায়

আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত এই তিন থানা এলাকায় সমস্ত মাছ,মাংস, সবজির বাজার বন্ধ রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দোকান খোলা রাখা হচ্ছে। শহরের রাস্তায় কোনরকম যানবাহন চলতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি ইংরেজবাজার এবং পুরাতন মালদা শহরে মূল প্রবেশদ্বারগুলি পুলিশি ব্যারিকেড করে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে বাইরের কোনও যানবাহন শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকাতেই আপাতত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Related Articles

Back to top button
Close