fbpx
হেডলাইন

আন্দোলনকে সমর্থন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ডেরেকের, ফোনে কথা বললেন মমতাও

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। এও বলেছিলেন, তাঁরা ডাকলে তিনিও দিল্লি যেতে প্রস্তুত। এবার দিল্লিতে অবস্থানরত কৃষকদের সঙ্গে তৃণমূলের প্রতিনিধি হয়ে দেখা করতে গেলেন ডেরেক ও ‘ব্রায়েন। আর তাঁর ফোনে ফোন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। নাতিদীর্ঘ বক্তব্যে বারবার বুঝিয়ে দিলেন, এই আন্দোলনকে তিনি সমর্থন করেন, সম্মান করেন। সবরকমভাবে তৃণমূল তাঁদের পাশে রয়েছে। তাঁদের লড়াইয়ের জন্য কুর্নিশও জানালেন।

শুক্রবার সকালে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন দিল্লি সীমান্তে সিঙ্গু সীমান্তে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। তখনই ডেরেককে ফোন করে কৃষকদের একাধিক সংগঠনের সঙ্গেই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ডেরেক এদিন সকাল থেকে প্রায় ৪ ঘণ্টা সেখানে থেকে কৃষকদের সকলের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। তারপর সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীকে ফোন করে বিস্তারিত জানান। তারপর মুখ্যমন্ত্রীও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দেন। পাশাপাশি, কোনও সমস্যা হলে তৃণমূল সবরকম সহায়তা করবে বলেও জানান তিনি।

কৃষকেরা মুখ্যমন্ত্রীকে স্পষ্টই জানান, কেন্দ্র যদি এই আইন প্রত্যাহার করে না নেয়, তাহলে এই আন্দোলন চলতেই থাকবে। কারণ, এই আইন প্রত্যাহার করা ছাড়া অন্য কোনও দাবি তাঁদের নেই। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের এই আন্দোলনের জন্য সাধুবাদ দেন। পাশাপাশি, এই আন্দোলনকে সবরকম সহায়তার কথা বলেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে সবসময় কৃষকদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি।

আরো পড়ুন: বিজেপির “গৃহ সম্পর্ক” অভিযানের নকল ‘তৃণমূলের’ দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি : সুনীল কুমার বিশ্বাস

কেন্দ্রের নতুন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বেশ দিল্লির দরবারে পৌঁছে গিয়েছেন পাঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ একাধিক রাজ্যের কৃষকরা। আপাতত দিল্লি সীমানায় তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভে শামিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বার দুয়েকের বৈঠক নিষ্ফলা। আইন প্রত্যাহার করা না হলে এভাবেই তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে সিদ্ধান্তে অনড়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোড়া থেকেই এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। কারণ, বাংলার ইতিহাসে যে কৃষক বিদ্রোহে সিঙ্গুর আন্দোলন রয়েছে, যার হাত ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কেরিয়ার এগিয়েছে। তৎকালীন বাম শাসন ধুলিসাৎ হয়েছে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামে কৃষক আন্দোলনের কাছে। সে কথা স্মরণ করেই তিনি বারবার কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close