fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

গুরুচাঁদ-হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতে ছুটি ঘোষণা রাজ্য সরকারের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গুরুচাঁদ-হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথিতে ছুটি ঘোষণা করবে রাজ্য সরকার। মতুয়াদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘আমি বিজেপি পার্টি নই, কথা দিলে কথা রাখি। ওঁরা ভোটের সময়ে মিথ্যা কথা বলে পালিয়ে যায়।’এ রাজ্যে ভোটের সমীকরণে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর মতুয়া সম্প্রদায়। স্রেফ দুই ২৪ পরগনা নয়, নদিয়া, কোচবিহার. মালদহ-সহ রাজ্যের ৭৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে মতুয়াদের ভোটারদের সংখ্যা কম নয়। রানিগঞ্জের পর বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর গোপালনগর হাইস্কুলে মাঠে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তিনি জানান, মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশীতে হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি। এর কোনও নির্দিষ্ট দিন নেই। বাংলা  কিংবা ইংরাজি কোনও মতেই নেই। যেদিন মেলা হয় সেদিনই ওই তিথি। আপনারা আমাকে ৬ মাস আগে থেকে জানাবেন। মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশীতে রাজ্য সরকার ছুটি ঘোষণা করবে।”

এদিন সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে মতুয়াদের উদেশ্যে তিনি বলেন, বড়মা, শ্রীহরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আশ্রমে আমি বহুবার এসেছি।ত্রিশ বছর ধরে বড়মার চিকিত্‍সা আমিই করিয়েছি। বড়মা যখনই অসুস্থ হয়ে পড়তেন আমি বালুকে বলতাম, ওঁকে কলকাতায় নিয়ে এসো। মতুয়াদের এত মানুষ আছে, কেউ জানতই না। আমার কাছে এটা নতুন জায়গা নয়। বনগাঁ, বাগদা, ঠাকুরনগর, হাবড়া, অশোকনগর, স্বরূপনগরে আমি বহুদিন ধরেই আসছি। অনেকেই হয়তো জানেন না ৩০ বছর ধরে বড়মার চিকিৎসা আমিই করিয়েছি। বড়মাকে যখনই অসুস্থ হয়ে পড়তেন আমি বালুকে বলতাম, ওঁকে কলকাতায় নিয়ে এসো।”

আরও পড়ুন: ‘মমতার অপর নাম অসহিষ্ণুতা, উপড়ে ফেলেই ছাড়ব’ মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া হুঁশিয়ারি নড্ডার

আরও বলেন, ‘মতুয়াদের জন্য আলাদা বোর্ড গড়ে দিয়েছি। ১০ কোটি টাকাও দেওয়া আছে। আমার কোনও চয়েস নেই। আপনারা নিজেদের পছন্দমতো বোর্ড গড়ে নেবেন, তাহলে কাজ শুরু হয়ে যাবে। তিনি বলেন, “মতুয়াদের দাবিমতো হরিচাঁদ, গুরুচাঁদ ঠাকুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়েছে।” পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাঠ্যপুস্তকে যাতে হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনী পড়ানো হয় সে দাবিও ছিল। একটি বই তুলে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, “এখানে ওঁদের দু-চার কথা রয়েছে। যদি মনে করেন আরও জুড়বেন তো আমাদের জানাবেন।”

 

Related Articles

Back to top button
Close