fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপি নয় রাজ্যের মসনদে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্তব্য জয়া দত্তের

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: আগামী বিধানসভায় রাজ্যের মসনদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বসবেন। কুৎসার রাজনীতি করে এই রাজ্যে বিজেপি মসনদ দখল করতে চাইছে। যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আর ওদের এই ভাবনাটাও মূর্খের স্বর্গে বাস করার মতো। রাজ্যের মানুষ সঠিক সময়ে ঠিক তার জবাব দেবে।’ পূর্ব বর্ধমানের কালনায় মঙ্গলবার তৃণমূলের এক রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠানে এসে বিশেষ সাক্ষাৎকারে বিজেপির বিরুদ্ধে এইভাবেই তোপ দাগলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদিকা জয়া দত্ত। কালনার নিভুজির এই অনুষ্ঠানে জয়া দত্ত ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু, রেজাউল ইসলাম মোল্লা(রানা) সহ অন্যান্যরা।

কালনার এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথম থেকেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে তৃণমূল নেত্রী জয়া দত্তের সুর ছিল সপ্তমে।কেন্দ্রের সরকার ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হোন তিনি। এরপরেই কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষা নীতির প্রশ্নে বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে জয়াদেবী বলেন, ‘করোনা আবহে দেশের সাধারণ মানুষ যখন আতঙ্কিত ঠিক সেই সময়েই শিক্ষার মতো একটা ইস্যুকে নিয়ে ছেলেখেলা করছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সকলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর না দিয়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়েও রাজনীতি শুরু করেছে এই সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যে শিক্ষার উন্নয়নে ৪৬ টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ তৈরি করেছেন। স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প এনেছেন। সেখানে নরেন্দ্র মোদির সরকার কি করেছে এই প্রশ্নটাই আজ সাধারণ মানুষের মুখে-মুখে ঘুরছে।’

আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘এই রকম একটি পরিস্থিতিতে সাধারণ গরীব মানুষের কথা না ভেবে শিল্পপতি পুঁজিপতিদের কথা ভাবছে কেন্দ্রের সরকার। দেশের সংস্থাগুলিকে বিক্রি করে দিচ্ছে। দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে।’

আগামী বিধানসভা নির্বাচণ প্রসঙ্গে জয়া দত্ত বলেন, ‘শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য,শহর থেকে গ্রাম,কৃষিকাজ থেকে শিল্পের উন্নয়নে তৃণমূল সরকার প্রচুর কাজ করেছে এই রাজ্যে।’ আরও একধাপ এগিয়ে কেন্দ্রের সরকারের বিরুদ্ধে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, ‘ বাংলা সহ দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি। আর তার প্রতিরোধ গড়ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদির দ্বিচারিতার প্রতিবাদে রাজ্যের নেত্রী সরব হয়েছেন।আর তার ঢেউ আছড়ে পড়েছে দিল্লি থেকে সারা দেশে।’

Related Articles

Back to top button
Close