fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গব্লগহেডলাইন

মমতা কখনই রাজ্যের নারীদের বন্ধু হতে পারেন না

অগ্নিমিত্রা পল: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উপলব্ধি করেছিলেন নারী জাতির উন্নয়ন ব্যতিরেখে দেশের উন্নতি কখনওই সম্ভব নয়। তাই তিনি সামাজিক কুসংকার দূরীকরণের সংকল্প নিয়ে নারী শিক্ষা এবং বিধবা বিবাহের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনায় হোক বা অবনীন্দ্রনাথের চিত্রাঙ্কনে, নারী সশক্তিকরণের দাবি যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে। কাদম্বিনী গাঙ্গুলী থেকে লীলা নাগ, মাতঙ্গিনী হাজরা থেকে কনকলতা বড়ুয়া- নবজারণের বাংলা থেকে আধুনিক পশ্চিমবঙ্গ, বাংলার সমাজ গঠনে নারীদের অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালি এক উন্নত জাতি। প্রগতি এবং বিকাশ তাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাই স্বাধানীতার সংগ্রাম হোক বা তার পরবর্তী পর্যায়ে দেশের অগ্রগতি, বাংলার নারীদের অংশগ্রহণ ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি যে গত সাত দশকে আমাদের রাজ্যে নারীদের উপর অত্যাচারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত।

তাই যখন ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম অপশাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ইতিহাসে প্রথমবার একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন তখন শিশু থেকে বৃদ্ধা সবাই ভেবেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে আর যাইহোক মহিলাদের নিরাপত্তায় কোনও ভাটা পড়বে না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গত সাড়ে নয় বছরের কার্যকালে কি সেই মানুষগুলোর আকাঙ্খা মেটাতে পেরেছেন? বাস্তব খুব কঠিন তাই যারা একদিন সংবিধানের শপথ নিয়ে মা, মাটি, মানুষের সরকার গড়বে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা আজ আমাদের পশ্চিমবঙ্গকে নারী নির্যাতনের পীঠস্থান বানিয়ে ফেলেছে। এই রাজ্যে এখন শিশু থেকে সত্তরোর্ধ বৃদ্ধাকেও ধর্ষিতা হতে হয়! আমি মাঝে মাঝে ভাবি যে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে যখন দুজন নাবালিকাকে দুপুরবেলা ধর্ষিতা হতে হয় তখন কি তাঁর রাজ্য চালানোর আর কোনও নৈতিক অধিকার বেঁচে থাকে? কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রাজনৈতিক স্বার্থ সর্বোপরি। তাই তিনি ২০১২ সালে পার্ক স্ট্রিটের ধর্ষণের ঘটনার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই (পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে) সেটাকে “সাজানো” বলে দাবি করে শুধু অপরাধীদের মনোবলই চাঙ্গা করেননি, তাঁর আসল রাজনৈতিক আদর্শ সবার সামনে তুলে ধরেছিলেন! তদন্তের দায়িত্বে থাকা দুজন দক্ষ পুলিশ অফিসারকে বদলি করে দিয়েছিলেন শুধু নিজের অহংকার ধরে রাখতে।

আরও পড়ুন: টানা ষষ্ঠদিন দেশে আক্রান্তের থেকে বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা!

রাজনৈতিক হিংসা পশ্চিমবঙ্গে কোনও নতুন ঘটনা নয় কিন্তু ধর্ষণের মতো ঘৃণিত অপরাধকেও যে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে সেটা ভূভারতে কেউই ভাবতে পারেনি। এ এক অনন্য সংস্কৃতি যার আমদানি তৃণমূলের হাত ধরে এই রাজ্যে হয়েছে। বিরোধী দলের বুথ সভাপতিকে রাজনৈতিক শিক্ষা দিতে তার বোনকে ধর্ষণ করে খুন করা হোক বা বিরোধীদের বাড়ির মহিলাকে রেপ করিয়ে দেওয়ার হুমকি, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকার বারে বারে প্রমাণ করেছে যে তারা আর যাই হোক এই রাজ্যের নারীদের বন্ধু হতে পারেনা। নারী জাতি সৃষ্টির প্রতীক আর ক্ষমতায় টিকে থাকতে যে তাকে ধ্বংস করতে যাবে সে নিজেই নিজের সর্বনাশ ডেকে আনবে। তৃণমূল সরকারের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতকারীরা যে অন্যায়, অত্যাচার রাজ্যের নারীদের উপর লাগাতার করে যাচ্ছে তার জবাব আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে তারা পাবে।

আমি যবে থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির মহিলা মোর্চার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি আমাকে প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোন নারী নির্যাতনের ঘটনার বিবরণ শুনতে হয় এবং নির্যাতিতাদের পাশে থাকার জন্য রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যেতে হয়। গত কয়েক মাসে মহিলাদের উপর যে ধরণের হিংসার ঘটনা ঘটেছে তাতে লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যায়। যখন দেখি শিশু থেকে নাবালিকাদের গনধর্ষণের শিকার হয়ে খুন হতে হয় তখন কান্না ধরে রাখতে পারিনা, যন্ত্রনায় বুক ফেটে হয়। কিন্তু যখন ভাবি যে তাদের ন্যায় বিচাররের ব্যবস্থা আমাদেরই করতে হবে তখন নিজের মনকে শক্ত করে নতুন ভাবে লড়াইয়ের জন্য সবাইকে সঙ্গবদ্ধ করার প্রচেষ্টা করি।
এটা দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি যে ধর্ষণ, খুন বা নারীদের উপর প্রাণঘাতী হামলা ঠেকাতে এই সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি বরং সাজানো বা ছোট ঘটনা বলে ঢাকার চেষ্টা করেছে। রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কোনও স্তরে নামতে পারেন।

তিনি কামদুনিতে দুই প্রতিবাদী গৃহবধূ টুম্পা কয়াল আর মৌসুমী কয়াল মুখ্যমন্ত্রীকে ধর্ষকদের সাজার দাবি জানানোয় তাদের তিনি মাওবাদী বলে চিহ্নিত করেন| কামদুনির ছাত্রী নৃশংসভাবে ধর্ষিতা এবং খুন হওয়ার পর বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জীত চক্রবর্তী মেয়েদের পোশাক পড়াকে দায়ী করেছিলেন। পার্ক স্ট্রিটের ঘটনার পর সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার রেপ ভিকটিম সুজেট জর্ডানকে দেহ ব্যবসায়ী বলতে দ্বিধা বোধ করেননি। এর থেকে কি বুঝতে অসুবিধা হয় কোনও রাজনৈতিক আদর্শ তৃণমূল পালন করে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে একজন মহিলা হয়েও তাঁর শাসনকালে রাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি ছিনিমিনি খেলেছেন তাই তাঁর আর শাসকের আসনে বসার কোন নৈতিক অধিকার নেই। কিন্তু লজ্জা, ঘৃণা, ভয় তিন থাকতে নয় — তাই রাজ্যে একের পর এক নারী নির্যাতন, ধর্ষণ এমনকি বিজেপি মহিলা কর্মীকে মাথায় গুলি করা থেকে পা ভেঙে দেওয়ার ঘটনার পরেও এই নির্লজ্জ সরকারের সর্বময় কর্ত্রী মুখে টুঁ শব্দটিও করেন না।

আরও পড়ুন:টেস্টিং-ট্রেসিং-ট্রিটমেন্টে জোর, সাত রাজ্যকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি বীরভূম জেলার সুবলপুর গ্রামে একটি ২০ বছরের আদিবাসী কিশোরীকে অন্য সম্প্রদায়ের একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে যুক্ত থাকার অভিযোগে সালিশি সভা ডেকে গণধর্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নারকীয় ঘটনায় ১৩ জন দোষী সাব্যস্ত হয় কিন্তু তাতে পশ্চিমবঙ্গের রেপ কালচার একফোঁটা বদলায়নি| আর সেটা যে বদলাবে না তা জেনে মুখ্যমন্ত্রী রেপ ভিকটিমদের রেট বেঁধে দিয়েছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধা সব ধর্ষিতাদের টাকার বিনিময়ে তাদের ইজ্জতের দাম তিনি ধার্য করে দিয়েছেন। প্রমাণ করেছেন যে তাঁর শাসনকালে এই রাজ্যের নারী জাতির কোন সুরক্ষার ব্যবস্থা তিনি করতে পারবে না।

শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন তো ছিলই কিন্তু সত্তরোর্ধ বৃদ্ধাও ধর্ষণের শিকার হবে একটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও আমাদের রাজ্য এমন ঘটনার সাক্ষী থেকেছে। ২০১৫ সালে রানাঘাটের গাংনাপুরের একটি মিশনারি স্কুলে লুঠপাটে বাধা দেওয়ায় ৭৪ বছরের বৃদ্ধা সিস্টারকে ধর্ষণ করা হয়। ২০১৬ সালে কোন্নগরে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে এসে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করা হয়। ২০১৮ সালে বর্ধমানে এক ৭০ বছরের বৃদ্ধাকে প্রথমে মা বলে সম্বোধন করে চা খাওনোর ছল করে তাকে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। কয়েকজন সাংবাদিকের তৎপরতায় তাঁর চিকিৎসা ব্যবস্থা হওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান কিন্তু তার অপরাধীকে আজও ধরা যায়নি। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভাটপাড়ায় ৭৫ বছরের বৃদ্ধাকে তার প্রতিবেশীর দ্বারা ধর্ষণের শিকার হতে হয়| গাংনাপুরের ধর্ষণ এবং ডাকাতির কাজে যুক্ত সবাই ছিল বাংলাদেশের নাগরিক। এর থেকে সহজেই অনুমেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নাকের ডগায় কিসের রাজত্ব চলছে। অন্য দেশ থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করে আমাদের দেশের মানুষের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে আর এই সরকার বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদেরও নাগরিকত্ব দিতে হবে বলে দাবি করছে। এখানেও রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত আছে কারণ তৃণমূলের পোষা দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বহিরাগতরাও বর্তমান সরকারকে ভোট লুঠ করতে সাহায্য করে।

পশ্চিমবঙ্গ শুধু যে নারী নির্যাতনে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে তা নয়, নারী ও শিশু পাচারে এবং অ্যাসিড হামলায়ও গোল্ড মেডেল জিতে বসে আছে। গত কয়েক বছরে উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে একেবারে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে দলে দলে নারী পাচার হয়েছে, আর এই সরকার ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোকে ভুল তথ্য দিয়ে ক্রমাগত শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। যদি তথ্যের ভিত্তিতে গত কয়েক বছরে নারীদের উপর অত্যাচারের বিচার দেখা যায় তাহলে জানা যায় যে বেশিরভাগ নির্যাতিতা মহিলা, নাবালিকা বা শিশুরা সমাজের অনুন্যত শ্রেণীর লোক| তার মানে এই নয় যে ভালো মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয় না। বারাসতের বিধায়কের যুক্তি মেনে যদি পোশাকের সমস্যার কারণে মেয়েরা ধর্ষিত হয় তাহলে ২০১৪ সালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ৮ বছরের একটি শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছিল কি ওই একই কারণে? এরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ছেঁদো যুক্তি আর একথা কুকথা বলে দলে কিছুটা নম্বর বাড়ানোর চেষ্টা করে। পুলিশ নিজের অকর্মণ্যতা ঢাকতে রেপ কেস নিতে অস্বীকার করে| নির্যাতিতারা বিচার তো পায়ই না বরং তৃণমূলের আশ্রয়ে থাকা হিংস্র দুস্কৃতকারীদের দল কুকর্ম করার পরেও নির্যাতিতাকে পুনরায় ধর্ষণ করে গায়ে আগুন লাগিয়ে মেরে ফেলে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়ায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রমাণ করেছেন তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে যে কোন অপরাধ করে পার পাওয়া যায় আর অপরাধী যদি মুসলিম হয় তাহলে তো সাত খুন মাফ। তাইতো দুধেল গরুর দুধ উনি পান করছেন কিন্তু লাথি খাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ।

আরও পড়ুন:বঙ্গে জেহাদ রুখবেন রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরা!

অনেক সময় আমরা পেরিয়ে এসেছি কিন্তু নারীদের নিরাপত্তার কথা বর্তমান শাসক ভাবেনি। না হলে এত বছর পরেও কেন তাপসী মালিকের পরিবারকে ন্যায় বিচারের আশায় বসে থাকতে হয়? যার মৃতদেহের উপর দিয়ে হেঁটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন, কিন্তু দুবার ক্ষমতা দখল করার পরেও হতভাগ্য তাপসী মালিককে মনে রাখার কোন প্রয়োজন মনে করেননি “বাংলার গর্ব”! যৌন নির্যাতন বন্ধে সবার আগে মানসিকতা বদলাতে হবে আর তা বদলাতে হলে সমাজে পরিবর্তন আনতে হবে। কিন্তু সেই মহান কাজের দায়িত্ব যদি তৃণমূল নামক একটা দানবীয় শক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয় তাহলে পরিবর্তনের নামে প্রতারণা হবে। তৃণমূলের রাজত্বে শিশু থেকে বৃদ্ধা, তফসিলি জাতি ও উপজাতি থেকে উচ্চবর্ণ, কোন নারীই আজ আর সুরক্ষিত নন। তাই আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি না বদলালে নারী সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। আর যদি পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠা করতে হয় তাহলে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আমাদের দলের প্রধান অঙ্গীকার হল সমগ্র নারী জাতির সার্বিক উন্নয়ন এবং তাদের সুরক্ষা প্রদান।

‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ এর মতো গঠনমুলক প্রকল্পের সূচনা হোক বা তিন তালাকের মতো মানবতা বিরোধী প্রথার অবলুপ্তি বা নারী সম্ভম বাঁচানোর জন্য প্রত্যেক বাড়িতে শৌচাগারের ব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রমাণ করেছেন তিনি এবং আমাদের দল ভারতের প্রত্যেক নারীর পাশে আছেন। শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন আটকানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার আরও কঠোর আইনের প্রণয়ন করেছে। আমরা জানি আপনাদের দেওয়ালে পিঠ থেকে গেছে তাই আপনারা “আসল পরিবর্তন” চান আর তার জন্য এই রাজ্যে বিজেপিকে দরকার। আসুন আপনাদের সহযোগিতায় আমরা সবাই মিলে তৃণমূল নামক এই অগণতান্ত্রিক, জন বিরোধী সরকারকে গদি থেকে টেনে নামিয়ে এই রাজ্য শান্তি, শৃঙ্খলা ও নারী সুরক্ষা প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার করি।

(লেখক বঙ্গ বিজেপি মহিলা মোর্চার সভাপতি)

Related Articles

Back to top button
Close