fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

‘দেশ রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে এগোচ্ছে’, হাথরাসে প্রতিবাদে পথে নেমে বললেন মমতা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  হাথরাসে গণধর্ষণ ও নির্মম অত্যাচারে দলিত তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে উত্তাল গোটা দেশ। উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ মহানগরের রাজপথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগী প্রশাসনের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরেই অসন্তোষ বেড়িয়ে পড়ছে ঠিক তখনই এই করোনা আবহের মধ্যেই হাথরসকে কলকাতার রাজপথে এনে গেরুয়া শিবিরকে কোণঠাসা করতে উদ্যোগী হয়েছেন মমতা। গর্জে উঠলেন, ‘দেশে আর কোথাও গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটা নেই। রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে যাচ্ছে। বিজেপির আমলে ওয়ান নেশন, ওয়ান পলিটিক্যাল পার্টি হয়ে যাচ্ছে।’মন পড়ে আছে গ্রামে। ছুটে যেতে ইচ্ছে করছে সেই গ্রামে। দলের প্রতিনিধিদলকে পাঠিয়ে কী দেখা গেল? গ্রামে ঢোকার ১ কিলোমিটার আগে পুলিশ আটকে দিল। এমনকী মহিলাদের গায়েও হাত তোলা হল। হাথরাস গণধর্ষণের প্রতিবাদে আজ রাজপথে মিছিলের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে এভাবেই নির্যাতিতার পরিবারের প্রতি সুদূর কলকাতা থেকে নিজের সমবদেনার বার্তা পৌঁছে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন সভা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে তোপ দেগে বললেন, তৃণমূলের আন্দোলন চলছে চলবে। দলিত মানুষের পাশে তৃণমূল থাকবে।  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের, সাংবাদিকদের ধুকতে দেওয়া হয়নি। আমি আজ হাতে টর্চ নিয়ে হেঁটেছি। যাদের অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া চেষ্টা হচ্ছে, তাদেরকে আলো দেখানো জন্য। হিংসা গণ্ডগোল বাধাতে চাইছে বিজেপি। রাতের অন্ধকারে দেহ জ্বালায় বিজেপি। পরিবারের হাতে দেহ দেয়না। ভোট এলেই দলিত বন্ধু সাজে বিজেপি। ভোট এলেই যুদ্ধের কথা বলে। এক নায়কতন্ত্র চলছে। বিজেপির বন্দুককে ভয় পাইনা।

আরও পড়ুন: হাথরসের ঘটনা মর্মান্তিক, দরকার পড়লে উত্তরপ্রদেশে যাবো: মৌসম নুর

তবে এটা কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়। বরং অন্যায়ের প্রতিবাদে এই পদযাত্রা। ইস্যু উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ, খুন। এহেন নৃশংস ঘটনার বিধি মানায় কোনও ত্রুটি নেই। একেবারে সামাজিক দূরত্ব একেবারে মাপা। একটুও কাছে ঘেঁষার জো নেই। মিছিল যতই দীর্ঘ হোক, ভিড়ে ঠাসা কথাটা বোধহয় বলা যাবে না। সকলেই নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে হাঁটছেন।

 

Related Articles

Back to top button
Close